মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপি নেতার মায়ের ইন্তেকাল পবার দামকুড়া তোহা হাটে অবৈধভাবে দোকান ঘর স্থাপনের অভিযোগ মানব সেবাই পরম ধর্ম পবা-মোহনপুরে বিভিন্ন কর্মসুচিতে মিলন ভবিষ্যতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরাই হবে বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর: এমপি মিলন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও দায়িত্বশীল করার উদ্যোগ এমপি মিলনের এমপি মিলনের ফোনে মটরসাইকেলে ছুটে এলেন ইউএনও: এলাকার সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানের উদ্যোগ রাজশাহীতে সাবেক ভূমি প্রতিমন্ত্রী কবির হোসেনের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী ও দোয়া মাহফিল যুবদল নেতা রবির উদ্যোগে রাজশাহীতে শুরু হতে যাচ্ছে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা কারাগারের দেয়াল পেরিয়ে মৃত সন্তানের মুখ দেখলেন এক বাবা একজন আইনজীবীকে সব বিষয়ে সম্যক ধারণা রাখতে হবে: এমপি মিলন

পবার দামকুড়া তোহা হাটে অবৈধভাবে দোকান ঘর স্থাপনের অভিযোগ

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবার দামকুড়াহাট এর তোহাহাট ইজারা নিয়েছেন পবার মধুপুর গ্রামের মৃত মনতাজ আলীর ছেলে ইনসান আলী। তিনি বাংলা ১৪৩৩ সালের জন্য সমস্ত নিয়ম মেনে এই ইজারা নেন। সেইসাথে সমুদ্বয় মূল্য পরিশোধ করেছেন। এমনটাই বলছিলেন ইজাদারা ইনসান আলী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইজারা নেয়ার পর থেকে তিনি দেখেন কিছু অসাধু ব্যক্তি দামকুড়া তোহা হাটের ফেরিফারির ভিতরে অবৈধভাবে পাকা/আধাপাকা দোকানঘর নির্মান করে ব্যাবসা পরিচালনা করে আসছে।

অন্যান্য যারা ব্যবসা করছেন তারাও অবৈধভাবে বসে আছেন। তাদের কারণে হাটের জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন দামকুড়ার ধানের হাটের জায়গায় টিন দিয়ে ঘর বানিয়ে রাসেল নামে একজন ব্যবসা করছেন। এর কারনে সেখানে ধানের হাট বসতে পারে না। জায়গার অভাবে হাটে ধান নিয়ে আসে না ব্যবসায়ী ও গৃহস্তরা। এইসব অবৈধ দোকানঘরের কারণে হাটের ইজারা থেকে তিনি বঞ্চিত হচ্ছেন।

তিনি আরো উল্লেখ করেন পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঐ দোকানঘর করে ব্যবসা শুরু করেন রাসেল। তিনি ইজারা নেয়ার পরে একাধিকবার রাসেলকে বললেও তিনি এখন পর্যন্ত কর্ণপাত তিনি করছেন না। এ নিয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে ঐ দোকানসহ তোহা হাটের সকল অবৈধ ঘর উচ্ছেদ করার জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেননি উপজেলা প্রশাসন। এ নিয়ে তিনি হতাশায় ভূগছেন বলে উল্লেখ করেন ইনসান আলী।

এ বিষয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইবনুল আবেদীন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, দরখাস্ত দেখে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এদিকে দোকান ঘর না সরানোর বিষয়ে জানতে চাইলে রাসেল বলেন, তিনি আঠার বছল ধরে এইখানে টিনের চালা তুলে ব্যবসা করছেন। অন্যান্য ব্যক্তিরা পাকাঘর করে দোকান দিয়ে ব্যবসা করছেন। তাহলে তার বেলায় সমস্যা কোথায় বলে উল্লেখ করেন তিনি। ইনসান এর পাশাপাশি এ ধরনের অভিযোগ আজিম আলী, তরিকুল ইসলাম ও আব্দুস সাদেকসহ আরো অনেকে করেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin