রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান

পবার দামকুড়া তোহা হাটে অবৈধভাবে দোকান ঘর স্থাপনের অভিযোগ

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ২২৫ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবার দামকুড়াহাট এর তোহাহাট ইজারা নিয়েছেন পবার মধুপুর গ্রামের মৃত মনতাজ আলীর ছেলে ইনসান আলী। তিনি বাংলা ১৪৩৩ সালের জন্য সমস্ত নিয়ম মেনে এই ইজারা নেন। সেইসাথে সমুদ্বয় মূল্য পরিশোধ করেছেন। এমনটাই বলছিলেন ইজাদারা ইনসান আলী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইজারা নেয়ার পর থেকে তিনি দেখেন কিছু অসাধু ব্যক্তি দামকুড়া তোহা হাটের ফেরিফারির ভিতরে অবৈধভাবে পাকা/আধাপাকা দোকানঘর নির্মান করে ব্যাবসা পরিচালনা করে আসছে।

অন্যান্য যারা ব্যবসা করছেন তারাও অবৈধভাবে বসে আছেন। তাদের কারণে হাটের জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন দামকুড়ার ধানের হাটের জায়গায় টিন দিয়ে ঘর বানিয়ে রাসেল নামে একজন ব্যবসা করছেন। এর কারনে সেখানে ধানের হাট বসতে পারে না। জায়গার অভাবে হাটে ধান নিয়ে আসে না ব্যবসায়ী ও গৃহস্তরা। এইসব অবৈধ দোকানঘরের কারণে হাটের ইজারা থেকে তিনি বঞ্চিত হচ্ছেন।

তিনি আরো উল্লেখ করেন পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঐ দোকানঘর করে ব্যবসা শুরু করেন রাসেল। তিনি ইজারা নেয়ার পরে একাধিকবার রাসেলকে বললেও তিনি এখন পর্যন্ত কর্ণপাত তিনি করছেন না। এ নিয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে ঐ দোকানসহ তোহা হাটের সকল অবৈধ ঘর উচ্ছেদ করার জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেননি উপজেলা প্রশাসন। এ নিয়ে তিনি হতাশায় ভূগছেন বলে উল্লেখ করেন ইনসান আলী।

এ বিষয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইবনুল আবেদীন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, দরখাস্ত দেখে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এদিকে দোকান ঘর না সরানোর বিষয়ে জানতে চাইলে রাসেল বলেন, তিনি আঠার বছল ধরে এইখানে টিনের চালা তুলে ব্যবসা করছেন। অন্যান্য ব্যক্তিরা পাকাঘর করে দোকান দিয়ে ব্যবসা করছেন। তাহলে তার বেলায় সমস্যা কোথায় বলে উল্লেখ করেন তিনি। ইনসান এর পাশাপাশি এ ধরনের অভিযোগ আজিম আলী, তরিকুল ইসলাম ও আব্দুস সাদেকসহ আরো অনেকে করেন।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin