নিজস্ব প্রতিবেদক: আইন বিভাগের ছাত্র রায়হান সিদ্দিকী আম্মান এবং সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম কর্তৃক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্রী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকাকে মর্মান্তিক আত্মহত্যার প্ররোচনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, রাজশাহী জেলা শাখার উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি কল্পনা রায়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহ- সাধারণ সম্পাদক নিলুফার আহমদ।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগারের সভাপতি কামার উল্লাহ সরকার, রাজশাহী থিয়েটারের সভাপতি নিতাই কুমার সরকার, কবি কুঞ্জের সহ-সভাপতি মজিদা আক্তার বিথী, মহিলা পরিষদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মোবাররা সিদ্দিকা, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির বিভাগীয় প্রধান এডভোকেট দিল সেতারা চুনি, মুক্তিযুদ্ধ চেতনায় বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান আলী বরজাহান, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল, রাজশাহী মহানগর একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক তামিম শিরাজী, আদিবাসী পরিষদের সাবেক সভাপতি আন্দ্রিয়াজ বিশ্বাস, খেলা ঘর এর সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, হোসনে আরা বেগম, পরিবর্তন সংগঠনের প্রোগ্রাম অফিসার সোমা হাসান ও প্রশিক্ষণ-গবেষণা ও পাঠাগার সম্পাদক সেলিনা বানু। উক্ত সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করেন বিভিন্ন পাড়া কমিটির সদস্য বৃন্দ। সমাবেশের সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমা খাতুন।
সমাবেশে বক্তারা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অপরাধীদের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের আওতায় এনে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রী নিপীড়নের ঘটনা কোনভাবেই বরদাস্ত করা যাবে না। ধর্ষককে এবং ধর্ষকের পরিবারকে সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। ভিকটিমের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারী নিপীড়ন সেল কার্যকর করতে হবে। বিচারের দীর্ঘ সূত্রুতা দূর করতে হবে। সেইসাথে দ্রুত বিচার আইনে বিচার করে রায় দ্রুত কার্যকর করতে হবে।