নিজস্ব প্রতিবেদক: ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহীর পবা উপজেলার বিন্দারামপুরে নিজ বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মৃত জমির উদ্দিন এর ছেলে আমিনুল ইসলাম লাফু। তিনি উল্লেখ করেন তাঁর ছোট ভাই দেলশাদ আলী এর নিকট হতে তিনি কিছু টাকা পান। এই টাকা তার স্ত্রী ফোনের মাধ্যমে দেলশাদ এর নিকট চাইলে টাকা দিতে অস্বীকার করেন তিনি। সেইসাথে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ মেরে ফেলার হুমকী প্রদান করেন।
শুধু তাই নয় গত ২৩ নভেম্বর আনুমানিক বিকেল ৫টার দিকে তার স্ত্রী ও সন্তানদেরকে বাড়িতে একা পেয়ে দেলশাদ ও তার স্ত্রী রিমি খাতুন, তার বোন গোলেহার বেগম, হাসিনা বেগম ও ফেন্সি বেগম মিলে স্ত্রী সন্তানদের বেধড়ক মারপিট করে। সেইসাথে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শ্লীলতা হানীর চেষ্টা করেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, তাদের কবল থেকে রক্ষা পেতে তারা চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে পারিবারিক ভাবে আপোস করার চেষ্টা করে কোন প্রকার সাড়া না পেয়ে তার স্ত্রী বাদী হয়ে উপরোক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাজশাহী মেট্রোপলিটন মেজিষ্ট্রেট আদালত-২ এ একটি মামলা করেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন তারা আট ভাই চার বোন সবাই এক সাথেই ছিলেন। বোনদের বিয়ের পর হতে বাবা মারা গেলেও তারা আলাদা না হয়ে এক সাথে যৌথ পরিবারে বসবাস করেন। কিন্তু দেলশাদ বিয়ের পর থেকে বাড়িতে অশান্তির ঝড় শুরু হয়। প্রকৃত পক্ষে দেলশাদ একজন বেকার, জুয়ারী ও অর্থলোভী বলে জানান তিনি।
তিনি আরো উল্লেখ করেন দেলশাদ ও তার স্ত্রী রিমি বেগম পরিকল্পিতভাবে তাদের সবাইকে ফাঁসানো এবং তাদের নিকট হতে অর্থ আদায়ের অভিলাষে কু-পরিকল্পনা করে রিমি তাঁর নিজ ঘরের মধ্যে নিজ শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে তার সমস্ত শরীর পুড়ে যায়। রিমি ও দেলশাদের এই ষড়যন্ত্র সবার সামনে উন্মোচন হলে অর্থ আদায়ের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়। এতে তারা সবাই রক্ষা পান।
তিনি বলেন, দেলশাদ শুধু টাকা নয় তাদের মায়ের নামে তের কাঠা বাড়ির ভিটা সুকৌশলে নিজ নামে লিখে নেয়ার চেষ্টা করলে তার মা না দিয়ে পরবর্তীতে তাদের সকল ভাই-বোনদের নামে এক কাঠা করে রেজিষ্ট্রি করে দেন। এখনো এক কাঠা বাড়ির ভিটা তাদের মায়ের রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন তার স্ত্রী-সন্তাদের মারপিট করেও উল্টো তাদের নামে কোর্টে মামলা দায়ের করেছে। শুধু মামলা নয় একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেলে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে মান হানি করেছেন বলে জানান তিনি।
মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্র মূলক মামলার তারা সবাই তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সেইসাথে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দোষি ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আমিনুল ইসলাম লাফুর ভাই আব্দুল মজিদ, খবির উদ্দিন, সোহরাব হোসেন বাবু, মোমিনুল ইসলাম কালু,বাহাদুর ইসলাম ও আতিকুল ইসলাম। এছাড়াও আতিকুল ইসলাম খাজা, তামিম ইকবাল জয়, হৃদয় আলী, পিয়াস আলী, ইজাজ আহমেদ অন্তর রাইহানুল আমিন সিন সিন, রাজা, বাদশা, সম্রাট আলী, রানু ইসলাম, ছবি বেগম, আফেরোজা বেগম, তামলিমা বেগম, সায়রা খাতুন, মিনা বেগম, আসমা বেগম, স্বপ্না বেগম, মিতু বেগম ও মৌ বেগম।