বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চট্টগ্রামে নিহত সেনাসদস্য তাসনিম রিফায়াতের গ্রামের বাড়ি রাজশাহীতে শোকের মাতম পদ্মার পানিতে ডুবেছে ঘর, পানিবন্দী মানুষের পাশে জেলা প্রশাসক শিশুর সার্বিক বিকাশ নিশ্চিতে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদারের আহ্বান বিএমডিএ’র মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষিত খাতা পুনরায় দেখার অভিযোগ পবা মোহনপুরের প্রতিটা কমিউনিটি ক্লিনিকের আধুনিকায়ন করা হবে পবার চর মাঝার দিয়ারে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনীতে : এমপি মিলন রাজশাহীর বারাহী, নবগঙ্গা ও বারনই নদীর দূষণ বন্ধের দাবীতে নওহাটায় মানববন্ধন অসুস্থ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জয়নাল এর পাশে বিএনপি নেতা সুলতান আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং-এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট নেই: বিভাগীয় কমিশনার

রাকাবকে একীভূতকরণ প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে রাজশাহীতে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশ সময় রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪
  • ২২১ বার দেখা হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের (বিকেবি) সাথে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) একীভূতকরণ প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক একীভূতকরণ প্রতিরোধ কমিটির নেতৃবৃন্দ। রোববার বেলা ১১ টার দিকে রাজশাহী চেম্বার ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিকেবিকে দুর্বল ব্যাংক আখ্যা দিয়ে এর সাথে রাকাবকে একীভূতকরণ প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানান তারা।

রাজমাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক একীভূতকরণ প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অত্র কমিটির সদস্য ও রাজশাহী লেখক পরিষদ ও কাব কুঞ্জুর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন প্রামাণিক। তিনি লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন ১৯৮৭ সালে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ ৩৭ বছরে ব্যাংকটি উত্তরবঙ্গ তথা রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কৃষক ও সর্বস্তরের মানুষের প্রাণের ব্যাংক হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। সরকার রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংককে একটি দুর্বল ব্যাংক হিসেবে চিহ্নিত করে দেশের অন্যতম দুর্বলতম ব্যাংক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাথে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে রাজশাহী অঞ্চলের অগ্রসরমান কৃষি ব্যবস্থাপনা ও কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যার ফলে এই অঞ্চলের কৃষি ও কৃষক ন্যায্যতা হারাবে। শুধু তাই নয় উত্তারাঞ্চলে আবারও মঙ্গা দেখা দিতে পারে এবং রাকাব এর অনেক চাকুরীজীবী তাদের চাকরী হারাবে। শুধু তাইনয় রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের চাকুরী প্রার্থীরা চাকরী থেকে বঞ্চিত হবে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার বিষয় এই যে, সরকার রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংককে একটি দুর্বল ব্যাংক হিসেবে চিহ্নিত করে দেশের অন্যতম দুর্বলতম ব্যাংক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাথে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে রাজশাহী অঞ্চলের অগ্রসরমান কৃষি ব্যবস্থাপনা ও কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে- যা এই অঞ্চলের কৃষি ও কৃষক ন্যায্যতা হারাবে।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের গর্ভজাত বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের জন্ম। এর মূল লক্ষ্যই ছিল রাজশাহী অঞ্চলের কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য অর্জনে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক সরবে-নিরবে ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। ব্যাংকের এই বিকেন্দ্রীকরণ হয়েছে কেবল মাত্র দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষির উন্নয়ন এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে। আমরা জানি, বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য সবসময় মুনাফা অর্জন নয়- উভীষ্ট লক্ষ্য অর্জন করা।
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক কাংখিত লক্ষ্য অর্জনে যা অবদান রেখেছে তা রাজশাহী অঞ্চলের কৃষির বিকাশ, সম্প্রসারণ ও উৎপাদন অগ্রগতি দেখলে সহজেই অনুমান করা যায়। প্রত্যক্ষ মুনাফা অর্জনে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সামান্য দুর্বলতা লক্ষ্য করা যায় বটে, যা মোটেও অস্বাভাবিক কিছু নয়। একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের বৃহত্তর স্বার্থের সম্পূরক হলো ব্যাংকের পরোক্ষ অর্জন। সেই দিক বিবেচনায় রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক অভুতপূর্ব সাফল্য অর্জনে এগিয়ে রয়েছে।

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক রাজশাহী অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত কৃষকদের দোরগোড়ায় স্বল্প সময়ে ও সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক-এর সকল দায় ও সম্পদ নিয়ে ১৯৮৭ সালের ১৫ মার্চ রাকাব একটি কৃষিভিত্তিক বিশেষায়িত পৃথক ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ব্যাংকটি মূলত মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে নয়, বরং দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষি খাতের উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ধান, গম, ভুট্টা ও বিভিন্ন রবি শস্যসহ শাকসবজি, ফলমূল ও আমদানি বিকল্প ফসল উৎপাদনের কারণে বর্তমানে উত্তরবঙ্গ দেশের শস্য ভাণ্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। ১৯৮৭ সালের পূর্বে বিকেবি আমলে বরিশাল দেশের শস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত ছিল। রাকাব সৃষ্টির পর এ অঞ্চলে ব্যাপক বিনিয়োগের ফলে উত্তরবঙ্গ দেশের শস্য ভাণ্ডারে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৮ কোটি জনসংখ্যার ছোট্ট এই দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে উত্তরবঙ্গ সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এক্ষেত্রে রাকাব-এর ভূমিকা অনস্বীকার্য।

ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ হওয়ার পর অভ্যন্তরীণ গবাদিপশুর উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশে মাংসের চাহিদা সিংহভাগ মেটানো সম্ভব হয়েছে। এক্ষেত্রে রাকাব এর অর্থায়ন এ অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ যে তাজা মাছ বাজার থেকে ক্রয় করছেন তার সিংহভাগ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে উৎপাদিত। মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ সারা বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। দেশের এ অর্জনে রাকাব-এর ভূমিকা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।

বিকেবি আমলে দেশের বৃহত্তর রংপুর মঙ্গাপীড়িত অঞ্চল ছিল। তবে বৃহত্তর রংপুর অঞ্চল আজ মঙ্গা কাটিয়ে দেশের শস্য ভাণ্ডারে পরিণত হয়েছে। সেইসাথে কৃষকসহ সাধারণ জনগণের জীবন যাত্রার মান উন্নত হয়েছে। এ উন্নয়নের পিছনে রাকাব এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাকাব কৃষি ঋণ বিতরণের পাশাপাশি অন্যান্য সকল ব্যাংকিং কর্মকাণ্ডও যেমন: আমানত ব্যাংকিং, কৃষকদের ১০/- টাকার আমানত হিসাব এর ভূমিকা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি আরো উল্লেখ করেনস বিকেবি আমলে দেশের বৃহত্তর রংপুর মঙ্গাপীড়িত অঞ্চল ছিল। তবে বৃহত্তর রংপুর অঞ্চল আজ মঙ্গা কাটিয়ে দেশের শস্য ভাণ্ডারে পরিণত হয়েছে। সেইসাথে কৃষকসহ সাধারণ জনগণের জীবন যাত্রার মান উন্নত হয়েছে। এ উন্নয়নের পিছনে রাকাব এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাকাব কৃষি ঋণ বিতরণের পাশাপাশি অন্যান্য সকল ব্যাংকিং কর্মকাণ্ডও যেমন: আমানত ব্যাংকিং, কৃষকদের ১০/- টাকার আমানত হিসাব খোলা, বিদ্যুৎ বিল কালেকশন, সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও সিএমএসএমই খাতে ঋণ বিতরণ করে থাকে। রাকাব এ সকল সেবা গ্রামীণ অঞ্চলে জনসাধারণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে।

রাকাব দেশের একমাত্র ব্যাংক যার সিবিএস তথা অনলাইন ব্যাংকিং সিস্টেম আইএসও সনদপ্রাপ্ত। এ ব্যাংকটিতে আধুনিক প্রায় সকল অনলাইন ব্যাংকিং সুবিধা বিদ্যমান থাকলেও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এক্ষেত্রে অনেকটা পিছিয়ে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকের বিরুদ্ধে ঋণ কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, তবে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে এ জাতীয় কোন অনিয়ম কখনই উত্থাপিত হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন উত্তরের কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ দিতে প্রতিষ্ঠা করা রাকাবকে একীভূত করার বিরোধী। তিনি বলেন “রাকাব ব্যাংক হিসেবে হয়ত ভালো করতে পারেনি, কিন্তু উত্তরাঞ্চলের কৃষির উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে। উত্তরাঞ্চালের কৃষির কথা বিবেচনা করে রাকাবকে একীভূত না করলেও হয়।”

লোকসান কাটিয়ে রাকাব এখন একটি মুনাফা অর্জনকারী ব্যাংক। ২০২১-২০২২ অর্থবছরে ব্যাংকটির লোকসানের পরিমাণ ছিল ২৪৫.৮৩ কোটি টাকা যা ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে হ্রাস পেয়ে ১৯৬.৪৭ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। সদ্য সমাপ্ত ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে রাকাব ৩.০০ কোটি টাকা নিট মুনাফা অর্জন করেছে। অপরদিকে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক-এ প্রতিবছর লোকসানের পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। দি ডেইলি স্টার পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যমতে কেবলমাত্র ২০২২-২০২৩ অর্থবছরেই বিকেবি’র লোকসানের পরিমাণ ২৩৮৪.০০ কোটি টাকা। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরেও একই ধারা অব্যাহত রয়েছে মর্মে জানা যায়।

রাকাব ও বিকেবি একীভূত হলে আবশ্যিকভাবে পূর্বের ন্যায় আঞ্চলিক বৈষম্য সৃষ্টি হবে এবং এ অঞ্চলের শস্য ভাণ্ডার খ্যাতি ক্রমান্বয়ে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় ভাবে ঢাকা থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে কৃষিভিত্তিক নিবিড়ভাবে ঋণ কার্যক্রম তদারকি ও পরিচালনার অভাবে বর্তমানের চেয়ে অনেকাংশে মন্থর হয়ে পড়বে। ফলে এ অঞ্চলের কৃষকসহ সাধারণ ব্যবসায়িগণ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহম্মদ আলী কামাল বলেন, একটা প্রাচীন প্রবাদ আছে ‘ডুবন্ত জাহাজে উঠতে হয় না’ আমরা যে জাহাজকে (বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক) দেখছি ডুবে গেছে তাকে আপনি খুঁটি দিয়ে তোলার চেষ্টা করছেন। কিন্তু কেন রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক? এই প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকটিকে একীভূত করলে একইসাথে হিসাব-নিকাশ হবে দুই ব্যাংকের তখন লোকসানের দায়ভার রাজশাহী কৃষি ব্যাংককে নিতে হবে। এবং রাজশাহীর কৃষি মুখ থুবড়ে পড়বে।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক একীভূত করণ প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক ও রাজশাহী মহানগর ইউনিট কমাণ্ড বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমাণ্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার আব্দুল মান্নান। অত্র কমিটির সদস্য সদস্য সচিব ও রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন অত্র কমিটির উপদেষ্টা রাজশাহী-২ সদর আসনের সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান বাদশা, অত্র কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজশাহী মহানগরের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, সদস্য ও ন্যাপ রাজশাহী জেলা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজুর রহমান খান, সদস্য ও রাবি মেডিকেলের চীফ মেডিকেল অফিসার ডাক্তার তবিবুর রহমান শেখ, সদস্য ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ রাজশাহী মহানগরের সভাপতি কবি আরিফুল হক কুমার ও সদস্য এবং রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুতদ সুমনসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin