নিজস্ব প্রতিনিধি: পরিচ্ছন্ন মহানগরী রাজশাহীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হতদরিদ্র ১২৫ জনের মাঝে লিফলেট ও মশারি বিতরণ করা হয়। সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় মহানগরীর কোর্ট স্টেশনে শহিদ ডাক্তার জামিল আক্তার রতন স্মৃতি সংসদ মিলনায়তনে আদিবাসীদের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে হত দরিদ্র আদিবাসী ও অন্যান্য জনগণের মধ্যে মশারি ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। রোটারি ক্লাব অফ ঢাকা কারওয়ান বাজার, এনএজিআর ( ন্যাশনাল এজেন্সী ফর গ্রিন রিভ্যুলেশন), আমনুরা লুথারেন মিশন হাসপাতাল ও বরেন্দ্র অঞ্চল যুব ফোরামের উদ্যেগে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সচেতনতা সভায় বরেন্দ্র যুব ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সাবিত্রী হেমব্রমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরসিসি আমনুরার সভাপতি এবং এনএজিআর (ন্যাশনাল এজেন্সী ফর গ্রিন রিভ্যুলেশন) বেসরকারি উন্নয়নমুলক সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার প্রদীপ হেমব্রম। আরো উপস্থিত ছিলেন বারসিক’র কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর তহুরা খাতুন লিলি, সচ্ছলতা এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালমান ফারসি, জুলিতা বেসরা ও জুলিতা টুডুসহ রোটারি ক্লাব অফ ঢাকা কারওয়ান বাজারের ও তাবিথা ফাউন্ডেশনের নার্সিং স্কলারশিপ শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তাগণ বলেন, মূলত এডিস মশা থেকে মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়। বাড়ীর আশেপাশে রাখা টায়ার, প্লাস্টিকের ড্রাম, ফুলের টব, ডাবের খোসা, দীর্ঘদিন পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানির মধ্যে এডিস মশা বংশ বিস্তার করে। মশার বংশ বিস্তার রোধে এসব স্থান সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে এস সব স্থানে পানি জমতে দেয়া যাবেনা। বাসার বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা স্বচ্ছ পানি নিয়মিত পরিষ্কার ও সপ্তাহে একদিন বসত বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হবে। এডিস মশার কামড় থেকে রক্ষা পেতে হলে দিনের বেলায় ঘুমাতে হলে মশারি বা মশা নিরোধক ব্যবহার করার আহ্বান জানান তারা।
তারা আরো বলেন, ডেঙ্গু জ্বরের মূল চিকিৎসা হলো প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার বা পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ করা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম গ্রহণ করতে হবে। ঘুমানোর সময় পুরো শরীর আবৃত পোষাক পড়তে হবে। ডেঙ্গুতে আতঙ্কিত না হয়ে উপযুক্ত প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।