নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘যাত্রী সেবাই হচ্ছে পরম ধর্ম’ এই ম্লোগান নিয়ে বাস শ্রমিকরা কাজ শুরু করলেও প্রকৃত পক্ষে বেশীরভাগ বাস শ্রমিকগণ যাত্রীদের জিম্মি করে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগকারী যাত্রী আব্দুস সামাল, রোকসানা পারভীন ও হায়দার আলীসহ আরো অনেকে বলেন, আচল ট্রাভেল্স, এর প্রকৃত নাম হচ্ছে রজনীগন্ধা। এই গাড়িটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ হতে ঢাকায় যাতায়াত করে। যার নম্বর- রাজ মেটো-ব- ১১-০১৩৬।
তারা বলেন, প্রতিনিয়ত এই বাসের স্টাফরা যাত্রীদের সাথে খারাপ আচরণ করেন। গাড়ীতে উঠানোর সময় অনেক সম্মান করে বাসে তুলে নিয়েই ভাড়া আদায় করে নিয়েই জিম্মি করে ফেলে। ঢাকায় যাতায়াত করলেও সারা রাস্তা যাত্রী উঠানো নামনো করেন তারা। বাসে সিটের অধিক যাত্রী তোলেন। আর গাড়ীর কোন সমস্যা হলে যাত্রীদের অন্য বাসে তুলে না দিয়ে জিম্মি করে রাখে। প্রতিনিয়ত এই এই ধরনের ঘটনা তারা ঘটান বলে জানান যাত্রীরা।
এ রকম বিড়ম্বনায় প্রতিবেদক ফজলুল করিম বাবলু নিজেও পরেন। তিনি বলেন, শনিবার বেলা ২.৩০টার দিকে সিরাজগঞ্জের তারাস থানার ১০নং ব্রিজ থেকে রাজশাহীতে আসার উদ্দেশ্যে তিনি বাসে ওঠেন। গুরুদাসপুরের নয়াবাজার পাওয়ার পূর্বেই বাসে সমষ্যা হয়। এ কারনে বাস থেকে স্টাফদেও নামানোর কথা বললেও বাস না থামিয়ে গরুর গাড়ীর ন্যায় বনপাড়া পর্যন্ত নিয়ে আসে। এসময়ে বাসের যাত্রীরা বনপাড়ায় নামাতে বললেও তারা নামায়নি। এ সময়ে প্রতিবেদক বনপাড়া মোড়ে বাস থেকে নেমে বাসের ভাড়া ফেরত চাইলে অত্র বাসের স্টাফ মতিন ও সাগর ভাড়া ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং খারাপ আচরন করেন। তারা বলেন, বাস রাস্তার নামিয়েছে ভাড়া ফেরত দেয়ার জন্য নয়। ভাড়া ফেরত দিয়ে তারা আঙ্গুল চুষবে। কোন ভাবেই ভাড়া ফেরত দেয়া হবেনা। পারলে কিছু করে নিয়ে বলে হুমকী দেন মতিন।
পরে সকল যাত্রী বসে বসে আঙ্গুল চুষে। আর তারা বাস মেকার দিয়ে সাড়িয়ে মনের মত করে তারা রাজশাহীতে আসেন। ঢাকার যাত্রীরা বলেন, সকাল প্রায় সাড়ে ৯টার দিকে তারা এই বাসে উঠেছেন রাজশাহীতে আসার জন্য। অন্যান্য বাসের ন্যায় তারা ভাড়া দিলেও সারাদিন পরে রাত ৭টার দিকে রাজশাহীর সিরোইল বাস স্ট্যান্ডে আসেন বলে জানান তিনি। স্টাফদের বিরুদ্দে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য বাসের সকল যাত্রী বাস মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের প্রতি দাবী জানান।