নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার ছিলো বিশ^ বেতার দিবস। ইউনেস্কো ২০১১ সালে বিশ^ বেতার দিবস উদ্যাপনের ঘোষণা দেয়ার পর থেকে প্রতি বছর বিশ^ব্যাপী নানা আয়োজনে দিবসটি উদ্যাপিত হয়ে আসছে। দিবসটিতে এবারের প্রতিপাদ্যÑ ‘বেতার ও শান্তি’। সারাদেশের মতো রাজশাহীতে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন করা হয়। এ লক্ষ্যে রাজশাহী থেকে প্রচারিত অনলাইন রেডিও জ্যোতির স্রোতা সমাবেশ ও বিশ^ বেতার দিবস পালন করা হয়।
রাজশাহী ধর্মপ্রদেশীয় সামাজিক যোগাযোগ কমিশনের আয়োজনে ও রেডিও জ্যোতির সার্বিক তত্বাবধানে সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী ধর্মপ্রদেশীয় সামাজিক যোগাযোগ কমিশনের সভাপতি বিশপ জেভার্স রোজারিও। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রেডিও জ্যোতির পরিচালক ফাদার সুনীল রোজারিও। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী ধর্মপ্রদেশীয় সামাজিক যোগাযোগ কমিশনের আহ্বায়ক ফাদার বাবলু কোড়াইয়া। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রেডিও জ্যোতির স্্েরাতাগণ উপস্থিত ছিলেন।
খ্রীস্ট জ্যোতি পাস্তরাল সেন্টারে আয়োজিত সমাবেশে উপস্থিত স্রোতারা রেডিও জ্যোতি সম্পর্কে আলোকপাত করেন। সেইসাথে আগামীতে যেন এই রেডিও ভালোমত অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারে তার জন্য বিভিন্ন মতামত দেন। এছাড়াও আগামী বছরগুলোর জন্য একটি কৌশলগত পরিকল্পনা করেন উপস্থিত স্রোতাগণ।
সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, রেডিও হচ্ছে সব থেকে শক্তিশালী গণমাধ্যম। এক সময় রেডিও এর মাধ্যমেই সারাবিশে^র খবর পাওয়া যেত। রেডিওতে খবর ও অন্যান্য অনুষ্ঠান শোনার জন্য স্রোতারা অধির আগ্রহে রেডিও ধরে বসে থাকতেন। কিন্তু কালের বিবর্তনে রেডিও এর প্রচলন কমে গেলেও এখনও চলমান রয়েছে এর কার্যক্রম। মানুষ এখন মোবাইলে রেডিও শোনে। বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকা সহ নানা দেশের বাংলা ও ইংরেজি খবর এখনো শোনেন। এই মাধ্যমটি টিকেয়ে রাখতে সরকারের পৃষ্ঠোপোষকতা চান তিনি।