নিজস্ব প্রতিবেদক: ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন সব সময় বাংলাদেশের মানুষের সাথে, বিশেষ করে অসুস্থ মানুষদের সাথে আছে। ভিসা আবেদন করার জন্য কোন দালাল বা এজেন্টদের কাছে যাবার প্রয়োজন নেই। এইসব দালাল বা এজেন্ট বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রতারণা করে অনেক অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এইসব বিপদগ্রস্থ মানুষকে দ্রুত ভিসা সম্পন্ন করে দেওয়ার কথা বলে অনেক অর্থ আদায় করছে যদিও অফিসিয়ালি অনেক দ্র্রুত মেডিকেল ভিসা প্রদান করা হচ্ছে।
আর এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী দ্রুত ভিসা করে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে টুরিষ্ট ভিসার পরিবর্তে ভূয়া কাগজপত্র তৈরি করে মেডিকেল ভিসার আবেদন করাচ্ছে। এতে করে তারা যেমন অনেক দেরিতে ভিসা পাচ্ছে, সাথে সাথে সত্যিকারের যারা অসুস্থ তারাও দেরিতে ভিসা পাচ্ছে।
নতুন ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের যোগদানের পর সমস্ত ভিসা আবেদন সেন্টারের ভিতরে এবং বাইরে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাজশাহীস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার নিয়মিত বিভিন্ন ভিসা অফিস পরিদর্শন করছেন এবং নজরদারির মধ্যে রেখেছেন। মেডিকেল এবং ভিসার টুরিষ্ট ভিসার ক্ষেত্রে অনেক ধরণের অনিয়মিত কর্মকান্ড সামনে এসেছে। ভিসা আবেদনপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বিভিন্ন দোকানদার, আইটি সেন্টার বা সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সব ধরণের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বানিয়ে দিচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের কাছে অনেক বেশি অর্থ দাবি করছে। এতে করে একদিকে, তারা যেমন ভিসা পাচ্ছে না অন্যদিকে তাদের আর্থিক এবং শারিরীক হয়রানির পরিমান অনেক বেড়ে যাচ্ছে।
রাজশাহীস্থ নতুন ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার সবার কাছে একটি বার্তা পৌচ্ছে দিতে চায় যে, কেউ কোন দালাল বা দোকানদারকে টাকা না দিয়ে সঠিক কাগজপত্র দিয়ে আবেদন করলে সবাই অনেক সহজে এবং দ্রুত ভিসা পাবে। ইতিমধ্যে রাজশাহী থেকে ৩ জন, ঠাকুরগাও থেকে ১ জন এবং রংপুর থেকে ২ জনকে তাদের কম্পিউটার সহ বাংলাদেশ পুলিশের সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বগুড়া থেকে ভিসা অফিসের ইনচার্জকে বরখাস্ত করা হয়েছে।