বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চট্টগ্রামে নিহত সেনাসদস্য তাসনিম রিফায়াতের গ্রামের বাড়ি রাজশাহীতে শোকের মাতম পদ্মার পানিতে ডুবেছে ঘর, পানিবন্দী মানুষের পাশে জেলা প্রশাসক শিশুর সার্বিক বিকাশ নিশ্চিতে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদারের আহ্বান বিএমডিএ’র মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষিত খাতা পুনরায় দেখার অভিযোগ পবা মোহনপুরের প্রতিটা কমিউনিটি ক্লিনিকের আধুনিকায়ন করা হবে পবার চর মাঝার দিয়ারে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনীতে : এমপি মিলন রাজশাহীর বারাহী, নবগঙ্গা ও বারনই নদীর দূষণ বন্ধের দাবীতে নওহাটায় মানববন্ধন অসুস্থ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জয়নাল এর পাশে বিএনপি নেতা সুলতান আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং-এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট নেই: বিভাগীয় কমিশনার

চৈত্রের সকালে কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিলো রাজশাহী

  • প্রকাশ সময় বুধবার, ২২ মার্চ, ২০২৩
  • ৪১৪ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলা বর্ষ অনুযায়ী গতকাল ছিলো চৈত্র মাসের আট তারিখ। এখন চলছে খরতাপের মৌসুম। এই সময়ে গমে ধরবে পাক। গরমে অতিষ্ট হতে থাকবে প্রানীকুল। কিন্তু চৈত্রের প্রথম সপ্তাহে যেন হঠাৎই খেয়ালি হয়ে উঠছে রাজশাহীর প্রকৃতি। এ সময় কেউ কোনো দিন কুয়াশা না দেখলেও ব্যাতিক্রমী সেই চিত্র সবাই দেখলো বুধবার সকালে। ভোরে রাজশাহী ঢেকে গিয়েছিল ঘন কুয়াশার চাদরে।

যথা নিয়মে রাজশাহীর আকাশে সুর্য্য উদিত হলেও ঘন কুয়াশার প্রলেপে সেই সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। ভোরে সূর্যোদয়ের পর পরই ঘন কুয়াশায় আবারও ঢেকে যায় সবুজ প্রকৃতি। সকাল প্রায় ৭টা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখতে পাননি রাজশাহীবাসী। কয়েক দিন থেকে অব্যাহতভাবে তাপমাত্রা বাড়ার পর বৃষ্টি ঝরেছে গত দুই দিন আগে। এরপরই হঠাৎ প্রকৃতির এমন আকস্মিক পরিবর্তন দেখে তাই সবাই হচকচিত! সচারাচর এমনটি হওয়ার কথা নয়।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিস বলছে- এবছর অনেকটা আগে ভাগেই বিদায় নিয়েছে শীত। ফাল্গুনের আগেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির ওপরে উঠে গেছে। এই গ্রীষ্মের শুরুতে রাজশাহীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পারদ ইতোমধ্যে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে। এরমধ্যে গত ১৬ মার্চ ০ দশমিক ৩ মিলিমিটার এবং ১৯ মার্চ ১৮ দশমিক ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে রাজশাহীতে। যদিও চৈত্র মাসে এমন সময় কুয়াশায় পড়ার ঘটনা বিরল।

জানতে চাইলে- রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাজীব খান বলেন, বুধবার ভোরে সূর্যোদয় হলেও পরে কুয়াশা পড়ে। যা প্রায় সকাল ৭টা পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। হঠাৎ প্রকৃতির এমন আচরণ কেন? সে সম্পর্কে তিনিও কোনো উত্তর দিতে পারেন নি। ভোর ৬ টায় রাজশাহীর তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ।

এদিকে, তীব্র তাপদাহের পর ভোরের এমন স্নিগ্ধ কুয়াশায় মন ভুলেছে অনেকের। পবিত্র রমজানের দুদিন আগে এমন কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় অনেকেই তৃপ্তি ও প্রশান্তি নিয়ে প্রাতভ্রমণ সেরেছেন। মন খুলে হেঁটেছেন। নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া সকলের মন জুড়িয়ে দিচ্ছে গরম অস্বস্তিতে থাকা মানুষগুলোকে।

তবে এমন কুয়াশা রাজশাহীর আমের মুকুল ও গুটির জন্য ক্ষতিকর বলে জানিয়েছেন, রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মোজদার হোসেন। তিনি বলেন, এমন ঘন কুয়াশা দীর্ঘস্থায়ী হলে আমের মুকুলে ‘পাউডারি মিলডিউ’ নামে এক ধরনের রোগ দেখা দেয়। এতে আমের মুকুল ঝরে পড়ে। যার প্রভাব পড়ে আমের ফলনেও। যদিও এখন রাজশাহীর অধিকাংশ গাছে আমের গুটি চলে এসেছে বলে উল্লেখ করেন এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin