নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আর মাত্র আট দিন বাকী। সকল প্রার্থী নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দিয়ে মাঠে নেমেছে। চাচ্ছেন ভোট। যে যাই ভোট প্রার্থনা করুক না কেন জনগণ রয়েছে তাদের নিজ মতামতের মধ্যে। প্রার্থীদের সামনে হা বললেও পিছনে ঠিকই তার পছন্দেও প্রার্থীর নাম বলছে বা গুনগান করছে। এমনই অবস্থা হয়েছে রাসিক ৬নং ওয়ার্ডর অবস্থা। এখানকার ভোটার ও জনগণ বর্তমান কাউন্সিলর নুরুজ্জামান টুকুর উপরেই ভরসা রাখছেন। তারা বলছেন টুকুর মত এ ওয়ার্ডে কেউ কাজ করতে পারেনি। প্রতিটি রাস্তা, ড্রেন তিনি নতুন করে করেছেন। নিচু এলাকা বিশেষ করে বাকীর মোড় এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে উঁচু করে রাস্তা ও ড্রেন করেছেন। এতে সমাধান হয়েছে দীর্ঘ দিনের জলাবদ্ধ সমস্যা।
ভাটাপাড়া এলাকার রবিউল ইসলাম, সামসুল হক, আনোয়ার হোসেন, প্যারামেডিকেল বাগানপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস ও মামুন, বাকীর মোড় এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক সোবহান ও হরিজন পল্লির জীবন রবিদাস এবং কামাল খাঁ মোড়ের আসলাম বলেন পিডিবি প্রশিক্ষণ সেন্টারের সামনের রাস্তা সামান্য বৃষ্টি হলেই ডুবে যেত। প্রায় কমড় পরিমান পানি হয়ে যেত। সে অবস্থা থেকে উত্তোরণ করেছেন টুকু। তিনি অত্র রাস্তা উঁচু করণ ও প্রসস্ত ড্রেন করে দেয়ায় এখন আর সেখানে পানি জমেনা। শুধু তাই নয় বাকীর মোড়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আব্দুল বাকীর বাড়ির এলাকা সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরে পানি প্রবেশ করত। পানি বের হওয়ার তেমন জায়গা না থাকায় এমন অবস্থা হতো। সেখান দিয়ে রাস্তা ও ড্রেন করায় এখন সেই সমস্যা সমাধান হয়েছে।
তারা আরো বলেন, অত্র ওয়ার্ডের ওলি-গলির সমস্ত রাস্তা তিনি করেছেন। সেইসাথে পানি ও পয়নিস্কাশনের জন্য করেছেন ড্রেন। শুধু তাই নয় অত্র ওয়ার্ডের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য করেছেন নান্দনিক ফুটপাত। সেইসাথে চলমান রয়েছে নান্দনিক পুকুরের কাজ। অত্র পুকুর সমুহের পার দিয়ে থাকবে সুন্দর বসার জায়গা, রোপন করা হবে সুন্দর সুন্দর গাছ ও থাকবে নান্দনিক লাইটিং। যাতে করে মানুষ গরমে কিংবা অন্যান্য সময়েও সেখানে বসে রিলাক্স করতে পারেন।
তারা সহ এলাকাবাসী আরো বলেন, মহামারী করোনার জন্য পৃথিবী থেমে গিয়েছিলো। সেজন্য কিছু উন্নয়মমূলক কাজ অন্যান্য স্থানের ন্যায় এখানে থেমে যায়। কিন্তু করোনা মহামারীর পরেই আবার শুরু হয় উন্নয়নমূলক কাজ। যা এখনো চলমান। দ্রুত সময়ের মধ্যেই শেষ হবে। তারা বলেন, এই ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কোন কার্যালয় ছিলোনা। জনগণকে বিভিন্ন স্থানে দৌঁড়াতে হতো। সে অবস্থা থেকে জনগণকে পরিত্রাণ দিতে তিনি তৈরী করছেন ওয়ার্ড কার্যালয়। কাজ চলমান রয়েছে। এই কার্যালয় হলে যেই কাউন্সিলর হোক এক স্থানেই পাওয়া যাবে সেবা।
তারা বলেন, মহামারী করোনাকালে তিনি প্রায় প্রতিটি বাড়িতে খাবার ও যাদের করোনা হয়েছিলো তাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছেন। এছাড়াও প্রতিটি মানুষকে টিকার আওতায় আনার জন্য ব্যাপক প্রচার প্রচারণা করেন। এতে করে ওয়ার্ডেও সকল মানুষ টিকা গ্রহন করেছে। সেইসাথে প্রাপ্য সকল মানুষ টিসিবি কার্ড ও সাপ্তাহিক ন্যায্যমূল্যের কার্ড পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তারা। এছাড়াও করোনা কালে বিনামূল্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক বিতরণ করেছিলেন বলে জানান তারা।
এ সবদিক থেকে বর্তমান কাউন্সিলর নুরুজ্জামান টুকুর কোন বিকল্প নাই উল্লেখ করে তারা প্রতিবারের ন্যায় এবারও টিফিন ক্যারিয়ার প্রতিকে ভোট দিয়ে টুকু বিজয়ী করে অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত এবং নতুন নতুন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ দেয়া অনুরোধ করেন তারা।
নির্বাচনে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে জানিতে চাইলে বর্তমান কাউন্সিলর ও পদপ্রার্থী নুরুজ্জামান টুকু বলেন, তিনি অত্র ওয়ার্ডের জনগণের সেবা করে যাচ্ছেন। এছাড়াও তিনি এই ওয়ার্ডকে একটি অন্যতম ওয়ার্ডে পরিণত করেছেন। সকল রাস্তা পাকা করণ ও ড্রেন করেছেন। সকল কাজ দৃশ্যমান। শুধু কাজ নয় জনগণের উপরে তাঁর অগাদ বিশ^াস রয়েছে। ভোটারগণ ভূল করবেন না। তাঁকে টিফিন ক্যরিয়ার প্রতিকে আবার ভোট দিয়ে বিজয়ী করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতা করবেন বলে আশা ব্যাক্ত করেন তিনি।