নিজস্ব প্রতিবেদক: বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা গ্রাম বিকাশ কেন্দ্রের লাইফ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রকল্পের সদস্যদের মধ্যে বিনামূল্যে দেশী জাতের মুরগী বিতরণ করা হয়। মোট পঞ্চাশ জনের মধ্যে প্রতিজনকে ৬টি করে এই জাতের মোরগ ও মুরগী প্রদান করা হয়। বুধবার বিকেলে কাঁকনহাট এলাকায় কর্মরত অত্র সংস্থার কার্যালয়ে উপস্থিত থেকে মুরগী বিতরণ করেন লাইফ প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী আবু জাফর। এ সময়ে অন্যদের মধ্যে একাউন্স অফিসার রতন কুমার সেন ও মাঠকর্মী রুমিলা হেম্ব্রম উপস্থিত ছিলেন।
বিতরণ কালে আবু জাফর বলেন, সদস্যদের মধ্যে শুধু মুরগী নয় তাদের খাবার, ওয়ুধ ও মুরগীর ঘর তৈরীর জন্য অর্থ প্রদান করা হয়। তিনি আরো বলেন, শুধু মুরগীরই নয় সর্বমোট ৬০০জনের মধ্যে নানা ধরনের সহযোগিতা এককালীন করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এরমধ্যে পঞ্চাশ জনকে গরুর সেল্টার (ঘর) দেবেন। ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য অর্থ প্রদান করা হবে দশ জনকে, ছাগল প্রদান করা হবে পনের জনকে, কবুতর প্রদান করা হবে বিশ জনের মধ্যে এবং শুকর পালনের জন্য ঘর প্রদান করা হবে পাঁচ জনের মধ্যে। এছাড়াও ভার্মি কস্পোস্ট সার তৈরীর সমস্ত উপকরণ প্রদান করা হবে চল্লিশ জনের মধ্যে বলে জানান তিনি। শুধু তাই নয় সদস্যদের পরিবারের মধ্যে থেকে বেকারত্ব দুর করতে ছেলে মেয়েদের কর্মমূখী শিক্ষার ব্যবস্থা চলমান রয়েছে বলে উল্লেখ করেন জাফর।
এদিকে মুরগী প্রাপ্তদের মধ্যে গোদাগাড়ীর মহলান পাড়ার শেফালী হেম্ব্রম, মিনি মুর্মু ও ভারতী হেম্ব্রমসহ আরো অনেকে বলেন, দেশে বর্তমানে হাইব্রিড জাতের মুরগী ক্ষেতে ক্ষেতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। সেইসাথে ঐ সব মুরগীতে নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে বলে জানান তারা। তারা আরো বলেন, দেশী মুরগীতে নেই কোন ক্ষতিকারকদিক। কারন এই জাতের মুরগী ছাড়া থাকায় নিজে আহার জোগার করে খায়। এছাড়াও বাজারে দেশী জাতের মুরগী ও ডিমের দাম সব থেকে বেশী বলে তারা এই জাতের মুরগী পালনে আগ্রহী হয়েছেন বলে জানান সবাই।