নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মতিহার থানায় করা বিস্ফোরক মামলায় আবারও শ্যোন এরেষ্ট দেখিয়ে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে কারাগারে পাঠিয়েছে রাজশাহী জেলা জজ আদালত-২ এর বিচারক। যার নম্বর ১০৮/২৩। এর আগে বোয়ালিয়া মডেল থানায় ৩৭ ও ৪৬ নম্বর মামলায় চলতি মাসের ২৪ তারিখ আদালত জামিন দেন। এতে তার আর কোন মামলায় আটকাদেশ না থাকলেও অত্র তারিখ হতে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে আটক রাখা হয় বলে জানান বিএনপি নেতৃবৃন্দ। মতিহার থানায় করা মামলায় এই আটকাদেশে বুধবার তাঁকে আবারও জেল হাজতে পাঠানো হয়।
এ সময়ে আদালত চত্বরে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়। পুলিশ, গোয়েন্দাসহ সিভিল পুলিশ অত্র এলাকা ঘিরে রাখে। এরমধ্যে রাজশাহী মহানগরসহ তাঁর নির্বাচনী এলাকা পবা-মোহনপুর থেকে শত শত নেতাকর্মী আসেন আদালত চত্বরে। নেতাকর্মী এক নজর তাদের প্রিয় নেতাকে দেখার জন্য আদালতের সামনে ভীড় করেন। ভীড় সামলাতে পুলিশ হিমশিম খায়। এ সময়ে তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে ধন্যবাদ জানান।
মিলনের আইনজীবী আলহাজ্ব আলী আশরাফ মাসুম বলেন, বিএনপি নেতা এডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়। তিনি ২৮ জুলাই বিএনপি’র মহাবেশে যোগ দিতে তিনি ঢাকায় গেলে ২৭ জুলাই রাতে তাঁকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে গত ৬ আগস্ট আদালত এডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে জামিন দেয়া হয়। কিন্তু তাঁকে বোয়ালিয়া মডেল থানার মামলায় জেলগেট থেকে আবারও আটক দেখিয়ে ফের জেল হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ। এই ধারাবাহিকতা চলছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে মিলনের মুক্তির দাবীতে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করতে থাকেন নেতাকর্মীরা। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা বিএনপি’র সদস্য অদ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, শেখ মকবুল হোসেন, রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি সুলতান আহমেদ, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, স্বেচ্ছাাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাাসেবক দলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন রিমন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবেদুর রেজা রিপন শাহ্ মখ্দুম থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ডলার ও সদস্য সচিব মৃদুলসহ রাজশাহী মহানগর ও থানা এবং পবা-মোহনপুরসহ জেলার বিভিন্ন থানার বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের শত শত নেতাকর্মীবৃন্দ।