নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক,রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, এডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে আবারও শ্যোন এরেস্ট দেখিয়ে কারাগােে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার কাশিয়াডাঙ্গা থানায় পুলিশ নতুন করে একটি বিস্ফোরক মামলা দায়ের করেন। যার নম্বর ৮৮/২৩। বৃহস্পতিবার ঐ মামলায় মিলনকে রাজশাহীর সিএমএম-৪ আদালতে তুললে তাঁকে শ্যোন এরেস্ট দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণ করে। এ সময়ে কোর্ট চত্বরে প্রিয় নেতার মুক্তির দাবীতে শত শত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন এবং নানা ধরনের স্লোগান দেন। মিলন নেতাকর্মীদের এ সময়ে হাত নেড়ে ধন্যবাদ জানান।
গত ২৬শে জুলাই বৃহস্পতিবার বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে দিবাগত পৌনে ১টার দিকে ডিবি পরিচয়ে ধানমন্ডি থানার পাশে ৬ নম্বর রোডের একটি বাসা থেকে এডভোকেট শফিকুল হক মিলন সহ ৯ জন কে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। ঐ মামলায় গত ৬ আগস্ট ঢাকা হাইকোর্ট থেকে জামিন মঞ্জুর হলেও পরবর্তীতে জেল গেট থেকে নতুন ২টি মামলা দেখিয়ে আবারও গ্রেফতার দেখানো হয়। গত ২৬শে আগস্ট নতুন করে রাজপাড়া থানার ১টি সহ আরও ৩ টি মামলা দেখানো হয়। এছাড়াও বৃহস্পতিবার আবারও নতুন করে কাশিয়াডাঙ্গা থানায় করা মামলায় এরেষ্ট দেখানো হলো।

কোর্ট চত্বরে এসময়ে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি রাজশাহী জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন উজ্জল, বিএনপি রাজশাহী জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, বিএনপি নেতা ধুরইল ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান কাজিম উদ্দিন, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবদল রাজশাহী জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, যুবদল রাজশাহী মহানগরের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, যুবদল রাজশাহী জেলা শাখার সাবেক সহ-সভাপতি মোজাফ্ফর হোসেন মুকুল ও রাজশাহী সিটি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক মিলনসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।