নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীতে জোর করে জমি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিকার চেয়ে ভূক্তভোগি মনিরুল ইসলাম বলেন, মৌজা বোয়ালিয়া, জে.এল.নং-০৯, আর.এস খতিয়ান নং-২০৮৫, আর.এস দাগ নং- ২২৩৩ এর বাটা ২৫৬৯, ২২৩৫ ও ২২৩৫ এর বাটা ২৫৭৯, রকম-বাড়ি, জমির পরিমান ০.৬১১ শতক। তিনি বলেন, তার দাদীর পনের ছটাক জমি ছিলো। হিসাব অনুযায়ী ঐ জমির অংশিদার হচ্ছেন তার বাবা মরহুম মুনসুর রহমান এবং তিন ফুফু হনুফা বেগম, শাহিরুল নেসা ও খাইরুন নেসা । এই জমির ছয় ছটাক জমি তার বাবা পাবেন। আর বাকী নয় ছটাক পাবেন তিনি ফুফু। কিন্তু তিন ফুফু মিলে ঐ সম্পত্তি দেখিয়ে একুশ ছটাক বিক্রি করে দিয়েছেন। এতে তার বাবার অংশ তারা বিক্রি করে খেয়েছেন বলে অভিযোগ করেন মনিরুল।
বর্তমানের তার এ ফুফু খাইরুল নেসার মেয়ে নাজমুন এর ছেলে রেজাউল করিম এখন জোর করে তাদের জমি দখলের পাঁয়তারা শুরু করেছেন বলে জানান মনিরুল। মনিরুল বলেন, তাদের সাথে জমি নিয়ে কোন বিরোধ নাই। তাদের জমির দাগ আলাদা। অথচ তারা জোর করে জমি দখল করার চেষ্টা করছে এবং প্রতিনিয়ত প্রান নাশের হুমকি দিয়ে আসছে বলে উল্লেখ করেন মনিরুল। এ নিয়ে বিবিধ মিস কেস নং-১৩৬৩/৯-১/৯১-৯২ মূলে তারা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বোয়ালিয়া রাজশাহী বরাবরে এই জমির নামজারী সংশোধন চেয়ে মিস কেস করেছেন বলে উল্লেখ করেন মনিরুল।
মনিরুল আরো বলেন, শুধু জমি দখলই নয়। রেজাউল হয়রানী করায় লক্ষে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বরাবরে একটা মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত জমি নিয়ে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও রেজাউল করিম আইনশৃংখলা বাহিনীকে ভূল বুঝিয়ে নিয়ে আসেন। তারা এসে কাগজপত্র দেখলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করে বাদীর পক্ষে কথা বলে ফিরে গেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। জমি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি মনিরুল। এবিষয়ে রেজাউলের সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় কোন প্রকার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।