নিজস্ব প্রতিবেদক: রোববার ছিলো ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার এক দফা দাবীতে তারুণ্যের রোড মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। এই রোড মার্চ বগুড়া থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন স্থানে পথসভা করে রাজশাহীতে এসে শেষ হয়। বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদল, সেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের আয়োজনে এই রোড মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী মহানগরের পাঠান পাড়াস্থ বড় ঈদগাহ এর সামনে রাস্তায় সর্বশেষ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এখানে সমাবেশের পূর্বে বগুড়ার গাবতলী, নওগাঁর নওহাটা মোড়, মান্দা ফেরিঘাটসহ নানা স্থনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীর নওহাটাতে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ সুইট এর নেতৃত্বে ও বিশাল মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল সমাবেশে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলনের মুক্তির জন্য তারা নানা ধরনের স্লোগান দেন। মিছিলে তারা মিলনের ছবিসহ প্লেকার্ড ও ব্যানার নিয়ে নওহাটার বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করেন। সেইসাথে নওহাটা ব্রিজের উপরে সমাবেশ করেন।
নওহাটা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সুজন মোল্লার সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন নওহাটা পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক ও নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র এবং রাজশাহী বিএনপি’র সদস্য শেখ মকবুল হোসেন, জেলা বিএনপি’র সদস্য অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান, নওহাটা পৌর বিএনপি’র সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রফিক ও নিউ গভ: ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জার্জিস কাদিরসহ পবা-মোহনপুর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্য়ায়ের হাজার হাজার নেতাকর্মীবৃন্দ।
সমাবেশে সুইট বলেন, এই ফ্যাসিস্ট সরকার জোর করে এডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে জেলে আটকে রেখেছে। তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দিয়ে হাজতে প্রেরন করছে। তিনিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ মিলনের নি:শর্ত মুক্তি দাবী করেন। সেইসাথে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ও এই সরকার পতনের আন্দোলনে একাত্বতা ঘোষনাসহ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদাসহ সকল রাজবন্দির মুক্তির দাবী জানান তিনি।