নিজস্ব প্রতিবেদক: পাহাড়িয়া জাতিসত্তার সাংস্কৃতিক সংকট চিন্থিকরণ এবং উত্তোরণে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমির আয়োজনে শনিবার সকাল ১০টায় রাজশাহী পবার আন্দারকোঠা মিশন হলরুমে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমির উপপরিচালক ও রাজশাহী জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কল্যাণ চৌধুরী। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমির গবেষণা কর্মকর্তা বেনজামিন টুডু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান বজলে রেজবী আল-হাসান মুঞ্জিল, আন্দারকোঠা মিশনের ফাদার ইনচার্জ প্রেমো রোজারিও, রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির নির্বাহী পরিষদ সদস্য সুসেন কুমার স্যামদুয়ার ও প্রিসিল্লা সেলি বিশ^াস, সুবোধ কুমার মাহাতো এবং পাহাড়িয়া পরিষদের সভাপতি অভিলাস বিশ^াস। অনুষ্ঠান রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমির সংগীত প্রশিক্ষক মানুয়েল সরেনের সঞ্চালনা আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমির সংগীত প্রশিক্ষক কবীর হোসেন বিন্দুসহ পাহাড়িয়া সম্প্রদায়ের অন্যান্য যুবনেতা ও যুবক-যুবতীরা।

প্রধান অতিথি বলেন, কোন জাতিকে পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা অনুযায়ী ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, পাহাড়িয়া সম্প্রদায়সহ সকল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা গ্রহন করতে হবে। সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেড় গড়ার কাজে এগিয়ে আসতে হবে। এজন্য সকল প্রকার নেশা থেকে দূরে থাকার জন্য উপস্থিত সকল যুবক-যুবতীদের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, নিজেদের শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হলে এবং নিজেকে যোগ্য কওে তুলতে হলে আঠারোর আগে বিয়ে নয় এবং বিশ এর আগে সন্তান নয়। এ বিষয়টি সবাই মানতে হবে। বাল্যবিবাহ বন্ধে সবাইকে একযোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সেইসাথে আন্দারকোঠা এলাকাকে সম্পূর্ন মাদকমুক্ত করতে তিনিও কাজ করবেন বলে আশ^াস প্রদান করেন। আর এই কাজে সার্বিক সহযোগিতা করতে হরিপুর ইউপি চেয়ারমানের প্রতি অনুরোধ করেন প্রধান অতিথি। শেষে পাহাড়িয়া সম্প্রদায়ের ছেলে-মেয়েরা নাচ ও গান পরিবেশ করেন।