গত ২৪ডিসেম্বর ২০২৩ইং তারিখ দৈনিক ৭১ প্রজন্ম বাংলা অনলাইনে পোর্টালে গোদাগাড়ীতে বিএনপির অফিস তালাবদ্ধ করেছে ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। যাহা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত খবরটি সম্পুর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে গোদাগাড়ীর বাসুদেবপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের অভয়া বাজারে অবস্থিত বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে তালা ভেঙ্গে চেয়ার, টেবিল, আসবাবপত্র ঘর থেকে বের করে বাইরে ছুরে ফেলেন বাসুদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি এবং ঐ অফিসের মালিক আব্দুল হান্নান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে আরো উল্লেখ করা হয়, সে সময়ে ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি তসিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনা জানাজানি হলে আসপাশের এলাকার বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং তারা আমার উপরে চড়াও হলে স্থানীয় লোকজনের বাধার কারনে আমাকে মারপিট করতে পারেনি।
প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয় রাজশাহী জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমটির সদস্য, গোদাগাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং গত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বাসুদেবপুর ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহফুজুর রহমান ডালিম বিগত বিশ বছর ধরে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করে আমার ঘর ব্যবহার করে আসছেন।
সংবাদে প্রকাশিত এসব কথা কাল্পনিক ও বানোয়াট। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে মোঃ মাহফুজুর রহমান ডালিম এর বড় ভাই মোমিন আমার নিকট হতে ২০১৪ সালে ঘরটি ব্যবসা করার জন্য ভাড়া নেন এবং শুরুতে টেইলারিং ব্যবসা শুরু করেন। সে সময়ে ডালিম বিদেশে অবস্থান করছিলেন। মোমিন প্রথমে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করলেও পরবর্তীতে ডালিম বিদেশ থেকে এসে উক্ত ঘরটিকে তার ব্যক্তিগত চেম্বার হিসেবে ব্যবহার শুরু করলে আর নিয়মিত ভাড়া শোধ করেন নি। এভাবে ২০২৩ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ডালিম এর নিকট আমার ৯৩হাজার টাকা পাওনা হয়। এর মধ্যে ডালিম একটি নতুন ফ্রিজ আমাকে দেন যার মূল্য ৩৪ হাজার টাকা। বাকি ৪৭ হাজার টাকা এখানো তার নিকট পাবো। আজ দেবো কাল দেবো বলে তিনি প্রায় এক বছর কালক্ষেপন করতে থাকলে আমি স্থানীয় গণম্যান্য ব্যক্তি ও ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদককে সাথে নিয়ে আমার ঘর বুঝে নেই। ঘরে থাকা তার ব্যক্তিগত জিনিষপত্র বের করে দেই।
পরবর্তীতে ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি তসিকুল ইসলাম তৃতীয় পক্ষ হিসেবে আগামী বিশ দিনের মধ্যে ভাড়া পরিশোধ করা মর্মে সময় নেন। বর্তমানে তসিকুল ইসলাম এর নিকট উক্ত ঘরের চাবি ও জিনিষপত্র ঘরেই রাখা আছে। এটা সম্পুর্ন ব্যবসায়ীক ব্যাপার। এটার সাথে কোন প্রকার রাজনৈতিক বিষয় জড়িত নহে।
প্রকৃত পক্ষে ঘরটি ব্যবসার জন্য তিনি ডালিমকে দেন। এখানে কোন প্রকার বিএনপি কার্যালয় কোনদিন ছিলোনা। কারন আমি অত্র ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি। কোন ওয়ার্ডে বিএনপি কার্যালয়ে আছে না আমি জানি। বিষয়টি এখন ভিন্নখাতে নিতে ডালিম এই মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করিয়েছেন। আমি আবারও এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাছি। সেইসাথে প্রকৃত ঘটনা জেনে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।