নিজস্ব প্রতিবেদক: পুলিশ কন্সট্রেবল সিদ্ধার্থ হত্যার বিস্ফোরক মামলায় রাজশাহী বিভাগী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দ্বিতীয়বারের মত হাজিরা দিলেন রাজশাহীর শীর্ষ বিএনপি নেতাসহ সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সোমবার বেলা ১১টা দিকে তাঁরা হাজিরা দেন। একজনের হত্যা মামলা দুই আদালতে বর্তমানে চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
মামলায় হাজিরা দিতে আসেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা, সাবেক রাসিক মেয়র ও সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও রাসিক সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিএনপি জাতয়ি নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির এডভোকেট নাদিম মোস্তফা, বিএনপি রাজাশাহী জেলার সাবেক সভাপতি এডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন তপু ও জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন উজ্জল।
আরো হাজিরা দিতে আসেন বোয়ালিয়া থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু, রাজপাড়া থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শওকত আলী, মতিহার থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আনসার আলী, রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়ালিউল হক রানা, শফিকুল ইসলাম শাফিক ও বজলুল হক মন্টু, বোয়ালিয়া থানা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম মিলু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন দিলদার, রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বেলাল আহম্মেদ, ১৭নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর আনারুল আমিন আযব, ২নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মাহবুব সাঈদ টুকু, রাজপাড়া থানা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদ পারভেজ পিন্টুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মামলার আইনজীবী আশরাফ আলী মাসুম বলেন, ২০১৩ সালে ২৬ ডিসেম্বর পুলিশ সদস্য সিদ্ধার্থ আহত হন এবং চিকিৎসারত অবস্থায় তার পরের দিন মারা যান। এরপর সিদ্ধার্থর স্ত্রী বাদি হয়ে ২৭ ডিসেম্বর ২০১৩ইং সালে এই মামলা দায়ের করেন। তাঁর করা মামলায় মোট ৮৯জনকে আসামী করা হয়। এর মধ্যে চারজন ঐ সময়ে শিশু থাকার তাদের বিচার নারী ও শিশু আদালতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।