নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবার খড়খড়ি এলাকার উজির পুকুর এলাকায় রাস্তা বন্ধ করা নিয়ে মারামারিতে বাবা ছেলেসহ আহত হন দুইজন। আহতরা হলেন, মৃত জামদ্দীন এর ছেলে সান মোহাম্মদ(৬২) ও তার ছেলে সাইফুল ইসলাম(২৫)। সাইফুল ইসলাম বলেন, তাদের জমির পরে বাংলা ভাটা নামে ইট ভাটা রয়েছে। বর্তমানে তার হচ্ছে এম.আর.আর ভাটা। ঐ ভাটায় তাদের জমির উপর দিয়ে যেত হয়। বাংলা ভাটা থাকতে তারা রাস্তা বাবদ বছরে আশি হাজার করে টাকা নিতেন। কিন্তু তার চাচাতো ভাইয়েরা ঐ ভাটা নিয়ে এম.আর.আর নাম দেয়। চার মাস পূর্বে ঐ ভাটায় যাতায়াতের রাস্তা বাবদ বছরে তার চাচাতো ভাইয়ের সাথে বিশ হাজার টাকা করে চুক্তি হয়।
তিনি বলেন, ঐ চুক্তি অনুযায়ী তার চাচা মৃত জামদ্দীন এর ছেলে মসলেম উদ্দিন মন্ডল ও চাচাতো ভাই শহিদুল (৪৫) ও ফিরোজ(৩৬) কোন মাসেই টাকা পরিশোধ করেননি। এ নিয়ে বলতে গেলে তারা নানা ধরনের হুমকী দিতো। এ অবস্থায় এক সপ্তাহ পূর্বে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও গ্রামের মুরব্বীরা মিলে একটি সালিশ করে তাদের টাকা দিতে বলেন। কিন্তু সালিশ থেকে চেয়ারম্যানগণরা উঠে গেলে তারা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং রাস্তা বন্ধ করে দিতে বলেন। এ নিয়ে তারা চেয়ারম্যান ও আরএমপি চন্দ্রিমা থানাকে অবহিত করলে তারা রাস্তা বন্ধ করে দিতে বলেন বলে জানান সাইফুল।
সাইফুল আরো বলেন, মঙ্গলবার সকালে সাড়ে ৮টার দিকে তারা বাবা-ছেলে মিলে রাস্তা বন্ধ করতে গেলে তার চাচা মসলেম উদ্দিন, তারই ছেলে চাচাতো ভাই শহিদুল (৪৫) ও ফিরোজ(৩৬) গংরা অতর্কিতভাবে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঝাপিয়ে পরে এলোপাতারী মারপিট শুরু করে। এতে তারা বাবা-ছেলে দুইজন আহত হন। এখন তারা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩১নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এনিয়ে তারা আরএমপি চন্দ্রিমা থানায় একটি উপরোক্ত তিনজনের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে উল্লেখ করেন সাইফুল। তিনি আসামীদের দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তির দাবী জানান।
এ বিষয়ে জানতে আরএমপি চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, ভাইয়ে ভাইয়ে মারামারি হয়েছে এটা তিনি শুনেছেন। তবে থানায় অভিযোগ হয়েছে কিনা তিনি এখনো জানেন না। মামলা হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।