নিজস্ব প্রতিবেদক: জমে উঠেছে রাজশাহীর পবা উপজেলা নির্বাচন। আগামী ২৯মে এই নির্বাচন অনুস্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোটর সাইকেল প্রতিক নিয়ে প্রতিদন্দিতা করছেন রাজশাহী জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদ আলী খান। তিনি দীর্ঘ পাঁচটি বছর অত্র উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বুধবার দিনব্যাপি গণসংযোগ করেন নওহাটা পৌরসভার ভোলাবাড়ী বায়া বালিকা, ভুগরইল, দুয়ারী, বাগসারা, বাগধানী, পালপাড়া, চৌবাড়িয়া, হুজুরীপাড়া ইউনিয়নের দারুশা, কর্নাহার, বেজুড়া, ধর্মহাটা, সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোটরসাইকেল প্রতিকের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন ও কেন্দ্র কমিটির প্রতিনিধিদের সাথে নির্বাচনী পথসভা করেন। এসময় তিনি দলমত নির্বিশেষে মোটরসাইকেল প্রতিকে সকলের নিকট ভোট প্রার্থনা করেন।
উপস্থিত ছিলেন নওহাটা সরকারী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক, সাবেক উপাধাক্ষ্য আলাউদ্দিন, সাবেক উপাধাক্ষ্য আক্কাস আলী প্রাং, বেতার শিল্পী সেলিম জাহাঙ্গীর, কামার উল্লাহ সরকার, সীমা, বড়গাছী ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামী নেতা আব্দুল জব্বার, বাচ্চু, আলমগীর হোসেন ও নওসাদ আলী, সাইফুল ইসলাম, নওহাটা পৌরসভা কৃষক লীগ সভাপতি শাফিকুল ইসলাম শাফি, ৫ নং সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, আওয়ামী লীগনেতা মতিউর রহমান মতি, আব্দুল করিম, তাফসিরুল ইসলাম, কৃষক লীগনেতা আলমগীর হোসেন, ওবায়দুর রহমান সোহাগ, পারিলা ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, সহ-সভাপতি সুজন কবির, বড়গাছী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কামাল পারভেজ সবুজ, কৃষক লীগ, ছাত্রলীগ ও সহসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নর জবাবে ওয়াজেদ আলী খান বলেন, বাংলাদেশের সব থেকে সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে স্মার্ট হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁরই স্বারথী হয়ে পবা উপজেলাকে একট স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি এবার চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। তিনি বিগত পাঁচটি বছর ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পবা উপজেলাবাসীকে সেবা প্রদান করে আসলেও চেয়ারম্যান না হওয়ায় তিনি সঠিকভাবে সেবা করতে পারেন নি। কারন তাঁর হাতে তেমন কিছুই ছিলোনা। তিনি যতটুকু সেবা করে চলেছেন তার প্রায় সিংহভাগ নিজ অর্থায়নে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী দরিদ্র ও অসহায়দের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরী। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে পবা উপজেলা বাসিন্দাদের মধ্যে প্রাপ্য সবাইকে এর আাওতায় আনা হবে। শুধু তাই নয় সরকার দূর্নীতে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছেন। সরকারের এই এজেন্ডাকে বাস্তবায়ন করতে তিনি অত্র উপজেলাকে দূর্নীতি, সন্ত্রাস ও বাল্যবিবাহমুক্ত রাখতে তিনি কাজ করবেন। সেইসাথে বেকারত্ব নিরসনে যুবক-যুবতীদের কর্মসংসস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরো বলেন, একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন। পবা উপজেলায় যেন ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও যেন এগিয়ে যায় তারজন্য সর্বাত্বক সহযোগিতা তিনি করবেন। আর এই সকল সহযোগিতা করতে চেয়ারম্যান হিসেবে মোটর সাইকেল প্রতিকে তিনি ভোট প্রার্থনা করেন। সেইসাথে কারো অযাচিত কথা বা প্ররোচনায় বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করেন তিনি। এদিকে ওয়াজেদ আলী খান যে এলাকায় যান সে এলাকাতেই মানুষের ঢল নামে। সাধারণ ভোটার ও জনগণ এগিয়ে এসে স্লোগান দিতে থাকে। সেইসাথে মোটর সাইকেল মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন তারা।