নিজস্ব প্রতিবেদক: আর মাত্র চারদিন বাঁকী রাজশাহীর একেবারেই কোলঘেষা পবা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। দিন শেষের দিকে হওয়ায় প্রার্থী ও সমর্থকদের চোখে নেই ঘুম। রাতদিন তারা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামী ২৯মে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোটর সাইকেল প্রতিক নিয়ে প্রতিদন্দিতা করছেন রাজশাহী জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদ আলী খান।
তিনি নিজে এবং কর্মী সমর্থক নিয়ে দিনব্যাপি গণসংযোগ করেন কাশিয়াডাঙ্গা, মুশরইল, কাঁটাখালী, নওহাটা ও বড়গাছীসহ অত্র উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে। রাতেও তিনি শত শত নারী-পুরুষ নিয়ে কাঁটাখালীতে নির্বাচনী সভা করেন। উপস্থিত জনগণ সবাই মোটর সাইকেল প্রতিকে ভোট প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়াও অএ এলাকা সমুহে মোটর সাইকেল প্রতিকের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন ও কেন্দ্র কমিটির প্রতিনিধিদের সাথে নির্বাচনী পথসভা করা হয়।
উপস্থিত ছিলেন নওহাটা সরকারী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক, সাবেক উপাধাক্ষ্য আলাউদ্দিন, সাবেক উপাধাক্ষ্য আক্কাস আলী প্রাং, বেতার শিল্পী সেলিম জাহাঙ্গীর, কামার উল্লাহ সরকার, সীমা, বড়গাছী ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামী নেতা আব্দুল জব্বার, বাচ্চু, আলমগীর হোসেন ও নওসাদ আলী, সাইফুল ইসলাম, নওহাটা পৌরসভা কৃষক লীগ সভাপতি শাফিকুল ইসলাম শাফি, ৫ নং সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, আওয়ামী লীগনেতা মতিউর রহমান মতি, আব্দুল করিম, তাফসিরুল ইসলাম, কৃষক লীগনেতা আলমগীর হোসেন, ওবায়দুর রহমান সোহাগ, পারিলা ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, সহ-সভাপতি সুজন কবির, বড়গাছী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কামাল পারভেজ সবুজ, কৃষক লীগ, ছাত্রলীগ ও সহসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ। এছাড়াও স্ব স্ব এলাকার নেতাকর্মী ও সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নর জবাবে ওয়াজেদ আলী খান বলেন, তাঁর ব্যাপক ভোটার রয়েছে। কারন ভোটারগণ আর কোন প্রকার ঝুঁকি নিতে চাননা। তারা অতিতে অনেককেই চেয়ারম্যান করেছেন। কিন্তু লাভ হয়নি। এখন তারা তাঁকে বেছে নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেণ, অন্যান্য প্রার্থীরা কালো টাকা ছড়িয়ে ভোট নেয়ার চেষ্টা করবেন। সেইসাথে নানা ধরনের প্রলোভোন দেখাবেন। কোন প্রকার প্ররোচনার ফাঁদে না পড়ে পবা উপজেলা উন্নয়নের স্বার্থে মোটার সাইকেল প্রতিকে ভোট প্রদান করার অনুরোধ করেন তিনি।