নিজস্ব প্রতিবেদক: সোমবার পালিত হলো মুসলমানদের সব থেকে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা। মুসলমাল সম্প্রদায়ের মানুষ অতি উৎসাহ ও আনন্দের মধ্যে দিয়ে পালন করছে এই ঈদ। সেইসাথে পশু কোরবানীর মধ্যে দিয়ে নিজের আত্বশুদ্ধির চেষ্টা করছে। আর এই ঈদের আনন্দকে ভাগ করে নিতে মঙ্গলবার বিকেলে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন পবা ও মোহনপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
তিনি হুজরীপাড়া ইউনিয়ন দিয়ে শুরু করেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মিলন দারুশা বিদ্যালয় মাঠে নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও কুলাকুলি করেন। সেইসাথে আগামী ২০ জুন প্রয়াত পবা উপজেলার হুজুরি পাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি এবং বর্তমান কমিটির সাবেক আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদের (বিডিআর) রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানে সবাইকে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানান। এরপর তিনি দর্শণপাড়া ও মৌগাছী ইউনিয়ন এবং নওহাটা পৌরসভা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এসময়ে তিনি বলেন, এই সরকারের ক্ষমতার আয়ু আর বেশীদিন নাই। শ্রীলঙ্কার মত অবস্থা শুরু হয়েছে। ন্যাংটি পরের পালানোর পথ পাবেনা বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা সরকারের নির্যাতন ও পুলিশি হয়রানীর ফলে অকালে মৃত্যুবরণ করছেন। সেইসাথে মিথ্যা মামলায় প্রতিদিন কোর্টে হাজিরা দিচ্ছেন। এ অবস্থায় তাদের টিকে থাকায় অনেক কষ্টকর হয়ে পড়েছে। মিথ্যা ও গায়েবী মামলা থেকে মৃত ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও রেহাই পাচ্ছেনা।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সব থেকে জনপ্রিয় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মিথ্যা মামলায় আজ দীর্ঘদিন থেকে কারাবন্দি অবস্থায় আছেন। সেইসাথে হাজার হাজার নেতাকর্মী কারাবন্দি অবস্থায় আছেন। তিনি বলেন, এই সরকার যেমন গণতন্ত্র ধ্বংশ করেছে, তেমনি ব্যাংক খালি করে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা পঙ্গু করে ফেলেছে। দেশের গণতন্ত্র উদ্ধার ও অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল করা, বেগম জিয়াসহ সকল রাজবন্দির মুক্তি এবং তারুণ্যের অহংকার, আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার চলমান আন্দোলনকে আরো বেগমান করে দেশের মানুষকে এই ফ্যাসিস্ট সরকারের কবল থেকে রক্ষা করতে হবে। আর এই আন্দোলনে সবাইকে রাজপথে থাকার আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্য শেষে মুসলিম মৃত ব্যক্তির রুহের মাগফিরাত কামনা ও মুসলিম বিশে^ও শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এসময়ে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, পৌরসভা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।