বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চট্টগ্রামে নিহত সেনাসদস্য তাসনিম রিফায়াতের গ্রামের বাড়ি রাজশাহীতে শোকের মাতম পদ্মার পানিতে ডুবেছে ঘর, পানিবন্দী মানুষের পাশে জেলা প্রশাসক শিশুর সার্বিক বিকাশ নিশ্চিতে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদারের আহ্বান বিএমডিএ’র মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষিত খাতা পুনরায় দেখার অভিযোগ পবা মোহনপুরের প্রতিটা কমিউনিটি ক্লিনিকের আধুনিকায়ন করা হবে পবার চর মাঝার দিয়ারে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনীতে : এমপি মিলন রাজশাহীর বারাহী, নবগঙ্গা ও বারনই নদীর দূষণ বন্ধের দাবীতে নওহাটায় মানববন্ধন অসুস্থ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জয়নাল এর পাশে বিএনপি নেতা সুলতান আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং-এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট নেই: বিভাগীয় কমিশনার

কারিতাস বাংলাদেশের সহায়তায় হাবিব এখন মায়ের কোলে

  • প্রকাশ সময় রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৩২৫ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশের সহায়তায় হাবিব খান(১১) নামে এক শিশু ফিরে গেল তার মায়ের কোলে। হাবিব খান পাবনা জেলার সুজানগর থানার মাছপাড়া গ্রামের পিতা আসলাম খান ও মাতা আছমা খাতুনের ছেলে। কারিতাস রাজশাহী অঞ্চলের আলোকিত প্রকল্পের জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার ফরিদুল ইসলাম বলেন, হাবিব তার নিজ গ্রাম ও বাবা-মায়ের নাম ছাড়া আর কিছু বলতে পারছিলো না। গ্রামের নাম বলায় অনেক কষ্ট করে অত্র এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম সফির সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করেন। এর ফলে ছেলেটির বাবা, দাদাসহ অন্যান্য আত্মীয়স্বজন রাজশাহীতে আসেন এবং আরএমপি চন্দ্রিমা থানার মাধ্যমে রোববার দুপুরে হাবিবকে তার বাবা ও দাদার হাতে তুলে দেয়া হয়।

হাবিব এর পিতা আসলাম খান বলেন, তার ছেলে চলতি মাসের ৭তারিখ বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে বাসা থেকে বেড়িয়ে যায়। এরপর আর তার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলো না। আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে শেষে ৮ এপ্রিল সুজানগর থানায় হারানো মর্মে একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। কারিতাস বাংলাদেশ রাজশাহীর আলোকিত প্রকল্পের কর্মকর্তার মাধ্যমে তাদের ইউপি চেয়ারম্যান তার ছেলের খোঁজ দেন এবং রাজশাহী পদ্মালেকের একটি বস্তিতে আছে বলে জানান চেয়ারমান। তাঁর তথ্যের ভিত্তিত্বে রাজশাহীতে এসে আইননী প্রক্রিয়া শেষে চন্দ্রিমা থানা থেকে তিনি তার ছেলেকে নিয়ে যান বলে জানা তিনি। ছেলের খোঁজ দেয়ার জন্য এবং বস্তিতে নিরাপদে রাখার জন্য জিম্মাদার ও আলোকিত প্রকল্পের সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

এদিকে চন্দ্রিমা থানার ডিউটি অফিসার ইয়াসমিন আরা বলেন, কারিতাস বাংলাদেশের কর্মকর্তাগণ তাদের সাথে যোগাযোগ করে ঐ ছেলেটিকে থানায় নিয়ে আসেন। এরপর আইনী প্রক্রিয়া শেষে ছেলেটিকে সবার সামনে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এ সময়ে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছেলের দাদা আব্দুল মান্নান, চাচা ইমরান খান, কারিতাস বাংলাদেশ রাজশাহী অঞ্চলের আলোকিত প্রকল্পের কর্মী আকতারুজ্জামান ও সামুয়েল বাস্কী।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin