মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
২০২৭ সালের শুরুতেই পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী ভূমি মন্ত্রী মিনুর আশু রোগমুক্তি কামনায় ১৮ নং ওয়ার্ডে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল ভূমিমন্ত্রী মিনুর রোগমুক্তি কামনায় ধর্মসভা মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত তেতাল্লিশ পরিবারের মধ্যে এক কোটি ঊনআশি লাখ টাকার চেক বিতরণ এমপির বিরুদ্ধে আ.লীগকে পুনর্বাসন ও হয়রানীর প্রতিবাদে বিএনপির নেতাকর্মীদেরই সংবাদ সম্মেলন জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: এমপি মিলন ভূমিমন্ত্রীর রোগমুক্তি কামনায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের দোয়া মাহফিল দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: এমপি মিলন বাপা ও রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের আঞ্চলিক সেমিনার নভেম্বরে ভূমি মন্ত্রী মিনুর সুস্থতা কামনায় ইনসাব এর দোয়া মাহফিল

গোদাগাড়ীতে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

  • প্রকাশ সময় বুধবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৩০৮ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: কালবৈশাখী ফিরেছে তার আসল রুপে। বুধবার বিকেলে দেখালো তার চেহারা। কালবৈশাখীর দাপটে এবং শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ফসলের। গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট, পাকড়ী ও রিশিকুল ইউনিয়ন এলাকায় সকল ফসল এবং আম, মালটা ও পেয়ারার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শিলের দাপটে সমস্ত ফসল ও বাগান নষ্ট হয়ে গেছে। কাঁকনহাটের কৃষক রুবেল বলেন, তার পাকা ধান, মালটা বাগান এবং আম বাগানের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। সকল ধান ঝড়ে গেছে, মালটা বাগান সমস্ত নষ্ট হয়ে গেছে এবং বাগানের আম ৯০ভাগ পরে গেছে বলে জানান তিনি। এরকম সকল কৃষকের হয়েছে বলে উল্লেখ করেন রুবেল।

এদিকে কাঁকহাট এলাকার কৃষক ডেভিড, কাল্লোল ও শরীফ বলেন, তাদের সকলের গড়ে ১৩বিঘা করে ধান ছিলো। সমস্ত ধান নিমিশেই শেষ হয়ে গেছে। তারাসহ অন্যান্য কৃষকরা বলেন, যে শিল হয়েছে তাতে কাস্তে নিয়ে মাঠে নামতে হবেনা। সেইসাথে তাদেরসহ অনেকের আম, লিচু ও অন্যান্য বাগানেরও ব্যাপক পরিমানে ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। জমির ফসল, গাছের আম ও লিচু এবং অন্যান্য ফসল হারিয়ে সবাই দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তাদের চোখে মুখে এখন হতাশার ছাপ দেখা যায়। বাজারে চালের যে মূল্য, কিনে খাওয়া তাদের জন্য কষ্ট কর বলে উল্লেখ করেন তারা।

তারা আরো বলেন, কাঁকনহাট এলাকাতে সব থেকে বেশী ক্ষতি হয়েছে। এরপর রিশিকুল ইউনিয়ন এলাকা এবং কিছুটা ক্ষতি হয়েছে পাকড়ী ইউনিয়নে। সব মিলিয়ে প্রায় এক হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে বলে তারা ধারনা করছেন। এদিকে গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিস এর নিকট এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপসহকারী কৃষি অফিসার আবুল হোসেন বলেন, গোদাগাড়ী উপজেলার সব ইউনিয়নে শিলাবৃষ্টি হয়নি। তবে কাঁকনহাট পৌর, রিশিকুল ও পাকড়ী ইউনিয়নের কিছু কিছু স্থানে শিলাবৃষ্টি হয়েছে। আর কত হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে তা তিনি প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বলতে পারেন নি।

 

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin