নিজস্ব প্রতিবেদক: দুর্নীতি একটি সামাজিক ব্যাধি। এর ফলে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হয়। দেশেল উন্নয়ন পিছালে জাতী পিছিয়ে পড়ে। দুর্নীতি হচ্ছে সম্পূর্ন রুপে অন্যায়। শুধু টাকা পয়সাই দূর্নীতি নয়। কাজে ফাঁকি দেয়া, সময়মত কাজ করে না দেয়া, সময় মত অফিস না আসাও দূর্নীতির মধ্যে পরে। এজন্য ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি লক্ষমাত্রা পূরন ও ২০৪১ সালে মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে দুর্নীতিকে না বলতে হবে বলে শনিবার সকালে এএইচএম কামারুজ্জামান মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক দূর্নীতিবিরোধী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর এই কথাগুলো বলেন।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার দূর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় দেশে আজ অভূতপূবর্ উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। তিনি বলেন, দূর্নীতি কমাতে হলে আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। দূর্নীতি বিষয়ে সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে। তিনি বলেন, দূর্নীতি থেকে বিরত থাকলে হলে ধর্মীয় অনুশাসন মানতে হবে। সেইসাথে ফেইস লেস লেনদেন করতে হবে বলে উল্লেখ করেন। দেশ গাড়র স্বার্থে সবাইকে সকল প্রকার দুর্নীতির উর্ধ্বে থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভার পূর্বে প্রধান অতিথি অন্যান্য অতিথিদের নিয়ে জাতীয় ও দুদক পতাকা উত্তোলন ও বেলনু-ফেস্টুন উড়িয়ে এর উদ্বোধন করেন। পরে সিএন্ডবি মোড় এলাকায় রাস্তায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

‘উন্নয়ন, শান্তি ও নিরাপত্তার লক্ষ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ’ এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসন ও রাজশাহী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং রাজশাহী মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি সনাক-টিআইবি এর সহযোগিতায় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুলিশ রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আনিসুর রহমান , বিপিএম(বার) পিপিএম (বার), আরএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হেমায়েতুল ইসলাম, দুর্নীতি দমন কমিশন রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক কামরুল হাসান, রাজশাহী পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান পিপিএম, রাজশাহী মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হুদা, রাজশাহী সনাক এর সভাপতি সিদ্ধার্থ শঙ্কর তালুকদার ও রাজশাহী মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি নুসরাৎ রহমান।
এছাড়াও দুর্নীতি দমন কমিশনের অন্যান্য ককর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী ও শুধিজন উপস্থিত ছিলেন।