নিজস্ব প্রতিবেদক: এগার দফা দাবীতে সংক্ষুব্ধ প্রতিবন্ধী নাগরিক সমাজের আয়োজনে এবং কল্পনা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার সার্বিক তত্বাবধানে শুক্রবার বিকেলে রাজশাহীর পর্যটন মোটেলে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন কল্পনা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার সবাপতি সোহেল রানা, রজনীগন্ধা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি আসাদুজ্জামান রাসেল, বিজয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি আবু তারেক মুকুল, জাতীয় তৃনমুল সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, রাজশাহী জেলা বধির ফোরামের সভাপতি ফারুক হোসেন, জেলা বধির সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম।
আরো উপস্থিত ছিলেন স্বনির্ভর প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি মোনিমুল ইসলাম, পাস প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি নজুল ইসলাম, প্রভাত যুব সংঘের সভাপতি রাশেদা খাতুন, রাজশাহী মহানগর প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের পলাশ কুমার, ডিপিওডি ঢাকার এর নির্বাহী পরিচালক লাকী আকতার, ডিডিপি ঢাকার নির্বাহী পরিচালক জাকীর হোসেন ও বি-স্ক্যান এর সমন্বয়কারী ইফতেখার মাহমুদ সহ প্রতিবন্ধী নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিগণ।

উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, তারা সরকারকে এগার দফা দাবী দিয়েছেন। দাবী গুলো মধ্যে রয়েছে চলতি বাজেট(২০২৩-২৪) জাতীয় বাজেটেই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা নূন্যতম ৫০০০ টাকা এবং শিক্ষা উপবৃত্তি মাসিক ২০০০ করা, সরকারী চাকরিতে নিয়োগ বিশেষ নীতিমালা প্রদান করা, চলতি বাজেটেই বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০০০ কোটি টাকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তি উদ্যোক্তা তহবিল গঠন করা, অনতিবিলম্বে প্রতিবন্ধী ব্রক্তি অধিদপ্তরকে কার্যকর করা, বাংলা ইশারা ভাষা ইন্সটিটিউট প্রণয়ন বাংলা ইশালা যুক্ত সমন্বিত শিক্ষা কার্যক্রম চালু এবং বিদ্যালয়, আদালতসহ সকল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে বিানমূল্যে বাংলা ইশারা ভাষার দোভাষী সেবা নিশ্চিত করা।
শিক্ষা ও চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অভিন্ন জাতীয় শ্রুতি লেখক নীতিমালার দাবী, নিরন্ন, শ্রমজীবী-মেহনতি প্রতিবন্ধী মানুষের একটি বাড়ি একটি খামার ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে আত্মনির্ভশীল করা, গুরুতর প্রতিবন্ধী মানুষের স্বাস্থ্য ও কেয়ারগিভার ভাতা চালু করা, প্রবেশগম্য অবকাঠামো এবং গলপরিবহন নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ করা, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় সংসদ, স্থানীয় থেকে জাতীয় সকল পর্যায়ে প্রতিবন্ধী মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা ও মন্ত্রণারলভিত্তিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সংবেদনশীল বাজেট দেয়ার দাবী জানান তারা। এই দাবীগুলো না মানলে আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচী দেয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তারা।