নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, রাজশাহী মহানগরের বর্ধিত সভা শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় নগরীর শাহ্ ডাইন কমিউনিটি সেন্টাওে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পুনরায় নির্বাচিত মেয়র জননেতা এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। সভায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, রাজশাহী মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল এর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহ্সানুল হক পিন্টুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি সৈয়দ শাহাদাত হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মুসাব্বিরুল ইসলাম, সদস্য হাবিবুর রহমান বাবু ও সদস্য এডভোকেট শামসুন্নাহার মুক্তি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে লিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানা প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতায় রয়েছেন। এই সময়ে বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক, অবকাঠামো, যোগাযোগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সহ সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন দৃশ্যমান হয়েছে। উন্নয়নের কোন শেষ নেই। তারপরও একটি মহল নির্বাচন আসলে যে কাজ গুলো করে, এবারো সেটি করছে। একটি মহল দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এসব ষড়যন্ত্রকে শক্তভাবে মোকাবেলা করতে হবে। সহ্যেরসীমা অতিক্রম করলে আওয়ামীলীগও ঘওে বসে থাকবেনা।
তিনি আরো বলেন, বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম সারাদিন নানা কথা বলছে। অথচ তারা বলে কথা বলার স্বাধীনতা নেই। কথা বলার স্বাধীনতা না থাকলে এতো কথা তারা কীভাবে বলতে পারছেন?
তিনি আরো বলেন, রাজশাহীতে এক সময় বিএনপির ঘাঁটি বলে দাবি করা হতো। অনেক আগেই আমরা বিএনপির সেই ঘাঁটিকে ভেঙ্গে দিয়েছি। এবার রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আবারো আমরা ভেঙ্গে দিয়েছি। মানুষ দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখে দলে দলে এসে ভোট দিয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি সৈয়দ শাহাদাত হোসেন, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল আলম বেন্টু, দপ্তর সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম বুলবুল, প্রচার সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জিয়া হাসান আজাদ হিমেল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ কবির সেন্টু, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ইয়াসমিন রেজা ফেন্সি, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনসারুল হক, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ওমর শরীফ রাজিব, শ্রম সম্পাদক আব্দুস সোহেল, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. ফ ম আ জাহিদ, সদস্য শামসুজ্জামান আওয়াল, মোশফিকুর রহমান হাসনাত, নজরুল ইসলাম তোতা, হাবিবুর রহমান বাবু, শাহাবউদ্দিন, এডভোকেট শামসুন্নাহার মুক্তি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুল মান্নান, আতিকুর রহমান কালু, হাফিজুর রহমান বাবু, আখতারুল ইসলাম,আব্দুস ালাম,এডভোকেট শামীমা আখতারী, তোজাম্মেল হক বাবলু, ইসমাইল হোসেন, জয়নাল আবেদীন চাঁদ, ইউনুস আলী, মোখলেশুর রহমান কচি,আশীষ তরু দে সরকার, থানা আওয়ামীলীগের মধ্যে রাজপাড়া থানার সাধারণ সম্পাদক শেখ আনসারুল হক খিচ্চু, বোয়ালিয়া (পূর্ব) থানার শ্যামল কুমার ঘোষ, বোয়ালিয়া (পশ্চিম) থানার সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান রতন, শাহ্মখদুম থানার সাধারণ সম্পাদক শাহাদত আলী শাহু, মতিহার থানার সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, নগর শ্রমিকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওয়ালীখান, নগর যুবলীগ সভাপতি রমজান আলী, সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন বাচ্চু, নগর কৃষকলীগ সভাপতি রহমত উল্লাহ সেলিম, নগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি আব্দুল মোমিন, নগর যুবমহিলালীগ সভাপতি এডভোকেট ইসমত আরা, সাধারণ সম্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন নিলু, নগর ছাত্রলীগ সভাপতি নুর মোহাম্মদ সিয়াম,সাধারণ সম্পাদক ডা. সিরাজুম মুবিন সবুজ প্রমুখ।