নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে আবারও শ্যোন এরেস্ট দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। আবারও বেলপুকুর থানায় পুলিশ নতুন করে একটি বিস্ফোরক মামলা দায়ের করেন। সোমবার চিফ মিলনকে জুডিশিয়ার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তুললে তাঁকে শ্যোন এরেস্ট দেখিয়ে আবারো কারাগারে প্রেরণ করেন বিচারক। এ সময়ে কোর্ট চত্বরে মিলনের মুক্তির দাবীতে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন এবং নানা ধরনের স্লোগান দেন। মিলন নেতাকর্মীদের এ সময়ে হাত নেড়ে ধন্যবাদ জানান।
গত ২৮শে জুলাই বৃহস্পতিবার বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে দিবাগত পৌনে ১টার দিকে ডিবি পরিচয়ে ধানমন্ডি থানার পাশে ৬ নম্বর রোডের একটি বাসা থেকে এডভোকেট শফিকুল হক মিলন তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। ঐ মামলায় গত ৬ আগস্ট ঢাকা হাইকোর্ট থেকে জামিন মঞ্জুর হলেও পরবর্তীতে জেল গেট থেকে নতুন ২টি মামলা দেখিয়ে আবারও গ্রেফতার দেখানো হয়। গত ২৬শে আগস্ট নতুন করে রাজপাড়া থানার ১টি সহ আরও ৩ টি মামলা দেখানো হয়। পরবর্তীতে নতুন করে কাশিয়াডাঙ্গা থানায় করা মামলা করেন পুলিশ। সর্বশেষ বেলপুকুর থানায় একই ধরনের মামলা করা হয়েছে। এতে শ্যোন এরেস্ট দেখানো হলো।
কোর্ট চত্বরে এসময়ে উপস্থিত ছিলেন যুবদল রাজশাহী মহানগরের সাবেক সভাপতি বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ সুইট, বিএনপি নেতা ধুরইল ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান কাজিম উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। মামলা সম্পর্কে সুইট বলেন, সরকারের আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা উদ্দেশ্যপ্রনোদিত হয়ে এডভোকেট শফিকুল হক মিলনের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করছেন। যার কোন ভিত্তি নাই। তিনি বলেন, মিলন একজন অসুস্থ মানুষ। তাঁকে নিয়মিত থেরাপি দিতে হয়। এছাড়াও তাঁর স্ত্রীও অসুস্থ। সব মিলিয়ে তিনি অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় আছেন। অসুস্থতার কথা চিন্তা করে এবং এই মামলাগুলো উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভেবে মিলনকে জামিন দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন তিনি। সেইসাথে এই ধরনের মামলা নতুন করে আর না দেয়ার জন্য আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের অনুরোধ করেন সুইট।