নিজস্ব প্রতিবেদক: পবার দামকুড়াহাট এর তোহাহাট ইজারা নিয়েছেন পবার মধুপুর গ্রামের মৃত মনতাজ আলীর ছেলে ইনসান আলী। তিনি বাংলা ১৪৩৩ সালের জন্য সমস্ত নিয়ম মেনে এই ইজারা নেন। সেইসাথে সমুদ্বয় মূল্য পরিশোধ করেছেন। এমনটাই বলছিলেন ইজাদারা ইনসান আলী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইজারা নেয়ার পর থেকে তিনি দেখেন কিছু অসাধু ব্যক্তি দামকুড়া তোহা হাটের ফেরিফারির ভিতরে অবৈধভাবে পাকা/আধাপাকা দোকানঘর নির্মান করে ব্যাবসা পরিচালনা করে আসছে।
অন্যান্য যারা ব্যবসা করছেন তারাও অবৈধভাবে বসে আছেন। তাদের কারণে হাটের জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন দামকুড়ার ধানের হাটের জায়গায় টিন দিয়ে ঘর বানিয়ে রাসেল নামে একজন ব্যবসা করছেন। এর কারনে সেখানে ধানের হাট বসতে পারে না। জায়গার অভাবে হাটে ধান নিয়ে আসে না ব্যবসায়ী ও গৃহস্তরা। এইসব অবৈধ দোকানঘরের কারণে হাটের ইজারা থেকে তিনি বঞ্চিত হচ্ছেন।
তিনি আরো উল্লেখ করেন পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঐ দোকানঘর করে ব্যবসা শুরু করেন রাসেল। তিনি ইজারা নেয়ার পরে একাধিকবার রাসেলকে বললেও তিনি এখন পর্যন্ত কর্ণপাত তিনি করছেন না। এ নিয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে ঐ দোকানসহ তোহা হাটের সকল অবৈধ ঘর উচ্ছেদ করার জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেননি উপজেলা প্রশাসন। এ নিয়ে তিনি হতাশায় ভূগছেন বলে উল্লেখ করেন ইনসান আলী।
এ বিষয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইবনুল আবেদীন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, দরখাস্ত দেখে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এদিকে দোকান ঘর না সরানোর বিষয়ে জানতে চাইলে রাসেল বলেন, তিনি আঠার বছল ধরে এইখানে টিনের চালা তুলে ব্যবসা করছেন। অন্যান্য ব্যক্তিরা পাকাঘর করে দোকান দিয়ে ব্যবসা করছেন। তাহলে তার বেলায় সমস্যা কোথায় বলে উল্লেখ করেন তিনি। ইনসান এর পাশাপাশি এ ধরনের অভিযোগ আজিম আলী, তরিকুল ইসলাম ও আব্দুস সাদেকসহ আরো অনেকে করেন।