নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘পরিবর্তিত বিশ্বে প্রবীণ ব্যক্তির সহনশীলতা’ এই প্রতিবাদ্য বিষয় নিয়ে রোববার সকাল ১০টায় গোদাগাড়ীর দেওপাড়া ইউনিয়নে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রমোশন অব ইনক্লুসিভ কমিউনিটিস ফর সিনিয়র সিটিজেন্স, পার্সন উইথ ডিজাবিলিটিস এন্ড ড্রাগ ইউজার অথবা এবুজারস ইন কারিতাস বাংলাদেশ রাজশাহীর আয়োজনে নিমঘুটু সমন্বিত সামাজিক ক্লাব মাঠ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন আমান উল্লাহ সরকার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিতাস রাজশাহী অঞ্চলের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার দীপক এক্কা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাস্টর জেমস বিকাশ মন্ডল ও পাস্টর বিকাশ সরেন, সাংবাদিক ফজলুল করিম বাবলু ও ঈশ্বরীপুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম মোস্তাকিমসহ অন্যান্য আদিবাসী নেতৃবৃন্দ। সভা সঞ্চালনা করেন এসডিডিবি প্রকল্পের এনিমেটর দাউদ চঁড়ে।
উপস্থিত অতিথিবৃন্দ বলেন, প্রবীন ব্যক্তিরা পরিবার, সমাজ ও দেশের বোঝা নয়। তারা এদেশের সম্পদ। কারন তারাই যুবকদের জন্য পূর্বের উন্নয়নের কর্ণধার। প্রবীনরাই নবীনদের জন্য একটি সুন্দর প্রথিবী গড়ে তোলেন। বাবা, মা, দাদা-দাদী, নানা-নানীসহ প্রবীন ব্যক্তি যারাই পরিবারে থাকবেন তাদের যথাযথ মর্যদা দিতে হবে। তাদের সর্বদা খোঁজ খবর রাখতে হবে। কোনভাবেই তাদের বৃদ্ধাশ্রমে রাখা যাবেনা। কারন তারা যখন যুবক-যুবতী ছিলেন তারাই নবীনদের পৃথিবীর আলো দেখিয়েছে । নিজে না খেয়ে তাদের খাইয়েছে। নিজে ভাল কিছু পরিধান না করে সন্তানদের ভাল পোষাক দিয়েছেন। নিচে বৃষ্টিতে ভিজে সন্তানদের মাথার উপরে ছাতা ধরেছেন বলে উল্লেখ করেন তার।
প্রধান অতিথি বলেন, ১৯৯০ সালের পহেলা অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয় এবং ১৯৯১ সাল থেকে সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশে এই দিবসটি পালন শুরু হয়। শহরের নানা ধরনের বৃদ্ধাশ্রম হয়েছে। যারা অবহেলা শিকার হন বা পরিবার থেকে যে সকল বাবা-মাদের বের করে দেয়া হয় তাদের এই সকল বৃদ্ধাশ্রমে বিনা অর্থে থাকার খাওয়ার ব্যবস্থা করেন অনকে সাদা মেনর মানুষ। কিন্তু এটা ভাল দিক নয়। প্রবাদ আছে ইট মারলে যেমন পাটকেল খেতে হয়। তেমনি যে যেমন কর্ম করবেন এবং অভিভাবকদের যে যেমন আচরন করবেন সে তেমন ফল ভোগ করবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। তনি সকল প্রবীনদের ব্যক্তিদের নিজ বাড়িতে সম্মানের সাথে ব্যবস্থা করার জন্য সন্তানদের পরামর্শ দেন প্রধান অতিথি।