নিজস্ব প্রতিবেদক: ৫ আগস্ট বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক দিন। ২০২৪ সালে মাসব্যাপি একদফা আন্দোলনের ফসল স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশ। কিন্তু বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন আন্দোলন করেছে স্বৈরাচার খুনি হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে। ঐ আন্দোলনের ধারাবাহিকতা হচ্ছে জুলাই আগস্ট। এই দিনটি নিয়ে আসতে দেড় হাজারের বেশী ছাত্র-জনতাকে প্রাণ দিতে হয়েছে।
এমনটাই বলছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির স্থায়ী সভাপতি এডভোকেট শফিকুল হক মিলন। তিনি রোববার রাতে হড়গ্রাম ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, এই দিনটি বিএনপির ও দেশবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। এজন্য এই বিজয়দিবসটি যথাযথভাবে পালনের জন্য সবাইকে অংশগ্রহন করার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, বিএনপি ৩১দফা বাস্তবায়নের কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষিকার্ড প্রদান শুরু করেছে। আগামীতে আরো ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের জন্য প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে মাঠকর্মীরা যাবেন। তাদেরকে সঠিক তথ্য প্রদান এবং নিজ মোবাইল নম্বও প্রদানের পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, সরকার জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আগামীতে কেউ সরকারী সামজিক নিরাপত্তা বলয়ে বাহিরে থাকবেন না বলে উল্লেখ করে তিনি। পাঁচ আগস্ট বেলা তিনটা থেকে সাড়ে তিনটার মধ্যে নিজ নিজ ব্যানারসহ কাশিয়াডাঙ্গা কলেজ মাঠে উপস্থিত হয়ে বিজয় র্যালিতে অংশগ্রহন করার আহ্বান জানান তিনি। সভায় অত্র ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোিগ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে শহীদদের রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।