নিজস্ব প্রতিবেদক: পূর্ব শত্রুতার জেরে পবার পশ্চিম বালিয়া শান্তির মোড় এলাকায় মারপিট করেছে সন্ত্রাসীরা। এটা নিয়ে আরএমপি কাশিয়াডাঙ্গা থানায় অভিযোগ দ্বায়ের করেছেন আজিজুর রহমান এর ছেলে জামিল। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন। কাশিয়াডাঙ্গা থানার বালিয়া গ্রামের মিন্টুর ছেলে রেন্টু (৩৫), আবুল কালাম এর ছেলে বাবন (৪৫), সিদ্দিক এর ছেলে আরিফ (৩৮), অপু, আবু তালেব এর ছেলে মাহাবুল (২৬)সহ আরো চার পাঁচজন মিলে রাস্তার উপরে হট্টগোল করছিলো।
অভিযোগে তিনি আরো উল্লেখ করেন বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন বালিয়া গুচ্ছগ্রাম এলাকায় রেন্টুর ক্লাবের সামনে সকল বিবাদীগণ রাস্তার উপর রাস্তা বন্ধ করে হট্টগোল করছিলো। এ সময়ে তিনি রাস্তা দিয়ে যাবার সময় হট্টগোল করতে নিষেধ করলে রেন্টু ও বাবন তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ সময়ে তিনি তাদেরকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে সকল বিবাদীগণ তাকে এলোপাথাড়ী কিল ঘুষি মেরে জখম করে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন তাকে মারতে দেখে তার স্ত্রী বাঁচাতে এগিয়ে এলে বিবাদীগণ তার স্ত্রীকেও গুলোপাথাড়ী কিল ঘুষি মারে এবং রেন্টু তার স্ত্রীর গলায় থাকা এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন টান দিয়ে ছিনিয়ে নেয়। যার আনুমানিক মূল্য দুইলক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা। সেইসাথে পকেটে থাকা বিশ হাজার টাকা বাবন নিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে তিনি চিৎকারে শুরু করলে পাড়ার লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীগণ বিভিন্ন হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে জামিল আরো বলেন, তিনি এক সময়ে তাদের পাড়ার মসজিদে টানা দশ বছর ক্যাশিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে নতুন কমিটি হওয়ার পরে তিনি ক্যাশিয়ারী ছেড়ে দেন। ক্যাশিয়ারী ছেড়ে দেয়ার পরে রেন্টুর নেতৃত্বে বাবন পুকুর দখল করার জন্য আওয়ামী যুবলীগের সন্ত্রাসী আরিফ, মুস্তাকিন ও জহুরুলসহ আরো অনেককে নিয়ে পুকুর দখল করে নেয়।
এরপর জামিল এলাকার লোকজন ও মসজিদ কমিটিকে নিয়ে পুকুর দখলমুক্ত করেন। পুকুর দখল মুক্ত করার পরে বাবন থানায় তিন লক্ষ টাকার চাদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ করেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি এই সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী জানান। উক্ত পুকুরটি সরকারী। পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা। এই পুকুর বাবনরা পুকুরের চারদিকে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলে। এটা নিয়ে এলাকাবাসী বাধা দয়ে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানালে তারা এসে পুকুরটি পুণরায় উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে রেন্টুর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা। উল্টো অভিযোগকারীদের নামেই চাঁদাবাজীর মামলা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অভিযোগ সম্পর্কে কাশিয়াডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ এর নিকট মুঠো জানতে চাইলে তিনি বলেন, জামিল নামে একজন অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি অফিসারদের সাথে বসেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান এই অফিসার ইনচার্জ।