শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
পবার হরিয়ানে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ প্রশাসক ঈশাকে মোহনপুর বিএনপির সম্মাননা প্রদান খেলাধুলা তরুণ সমাজকে বিপথগামী হওয়া থেকে রক্ষা করে: এমপি মিলন রাষ্ট্রীয় সফরে রাজশাহীতে দুই মন্ত্রী ॥ শাহ মখদুম বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা বোয়ালিয়া থানা পূর্ব জিয়া মঞ্চের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা রাজশাহীতে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন  পরিবেশবান্ধব কৃষি চর্চাই ভবিষ্যৎ কৃষির মূল ভিত্তি: এমপি মিলন নওহাটায় সংসদ সংদস্য মিলনকে সংবর্ধনা প্রদান স্টেশনে র‌্যাম্প স্থাপনের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন বরখাস্ত অধ্যক্ষের আবেদনে সভাপতি নিয়োগ, কাকনহাট মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

রাজশাহীর পবায় নতুন জাতের ধান ‘ফাতেমা’ কর্তন ও কৃষক সমাবেশ

  • প্রকাশ সময় শনিবার, ১৪ মে, ২০২২
  • ৭৩৭ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর পবায় নতুন জাতের ধান ‘ফাতেমা’ কর্তন ও কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার উপজেলার নওহাটার তেঘর-বসন্তপুর গ্রামের এ কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ফাতেমা ধান চাষি আফাজ উদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ ও পবা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরকার দুলাল মাহবুব, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা (সাবেক) মজিবর রহমান, আলহাজ্ব শিলপু সরকার।
প্রধান অতিথি পবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতি শীষে যে পরিমান ধান আছে তাতে প্রতি বিঘা জমিতে ৩০ মণের উপরে ফলন হবে। তবে কর্তনের পর রেসিও অনুযায়ী ফলন দাঁড়িয়েছে ৩৬ মন। তিনি কৃষকের এই ধানের বিষয়ে কৃষি বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জমির মালিক সৌখিন কৃষক সরকার দুলাল মাহবুব বলেন, আজ ফাতেমা ধান কর্তন করে দেখা গেল প্রতি বিঘা জমিতে ৩৬ মন ধানের ফলন হয়। যেখানে বর্তমানে প্রতি বিঘাতে ব্রি-২৮ধান হচ্ছে ১৬-২০ মন। সেখানে একই খরচে প্রতি বিঘা জমিতে ফাতেমা ধান ৩৬ মন উৎপাদন হচ্ছে। ব্রি-২৮ধানের চেয়ে প্রতি বিঘা জমিতে ১৬ মন ধান বেশী পাওয়া যাচ্ছে। ধান বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে নিবিড় যত্ন সহকারে ফাতেমা করলে প্রতি বিঘাতে ৪০ মন উৎপাদন ছাড়িয়ে যাবে।
তিনি বলেন, অন্য ধানের মতোই এ ধানের চাষ পদ্ধতি। আউশ, আমন ও বোরো তিন মৌসুমেই এ ধানের চাষ করা যায়। তবে বোরো মৌসূমে এর উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। গাছের উচ্চতা প্রায় ৫ফিট যা অন্য ধানের তুলনায় বেশি। গাছগুলো শক্ত হওয়ায় হেলে পড়ে না। আর এক একটি ধানের শীষে ৫০০-১০০০টি করে ধান পাওয়া গেছে। এধানে রোগ ও পোকামাকড়ের হার তুলনামূলক কম। এছাড়া চাল খুব চিকন ও ভাতও খেতে খুব সুস্বাদু।
সাবেক উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মজিবর রহমান বলেন, ফাতেমা ধান অনেক ভাল হয়েছে। তিনি এই ধানে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন ঝড় বৃষ্টিতে মাঠের প্রায় সব ধান গাছ নুয়ে পরেছে। অথচ এইধান গাছ গুলোএখনো শক্তভাবে দাঁড়িয়ে আছে। ধান কাটা অবধি খাড়া থাকলে ফলন বেশী হয় বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin