সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: এমপি মিলন বাপা ও রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের আঞ্চলিক সেমিনার নভেম্বরে ভূমি মন্ত্রী মিনুর সুস্থতা কামনায় ইনসাব এর দোয়া মাহফিল বাংলার জাতীয় খেলা হা-ডুডুকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা হবে: এমপি মিলন যুবদল কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে সম্মাননা স্মারক প্রদান ভূমি মন্ত্রী মিনুর সুস্থতা কামনায় রাজশাহীতে দোয়া মাহফিল ফাঁকিবাজি ও দুর্নীতি রোধে শিক্ষকদের ভূমিকা জরুরি: এমপি মিলন প্রশাসনের আশ্বাসে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি স্থগিত রাজশাহীতে টাইলসের নিচে লুকানো মাদক ও নগদ ১১ লাখ টাকাসহ ২ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পিজি হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিনু

নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে রাজশাহীতে ৫৩তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০২৩
  • ৩০৩ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২৬ মার্চ শনিবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। সারাদেশের মতো রাজশাহীতেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে ও নানা আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে ৩১ বার তোপধ্বনি ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরের শহিদ স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অপর্ণের মাধ্যমে ৫৩তম মহান স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।

বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরউল্লাহ্ এনডিসি সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরের শহিদ স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে জেলা প্রশাসন, রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশ, আরএমপি, পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ, কৃষি উন্নয়ন অধিদপ্তর, রাজশাহী কারা কর্তৃপক্ষ, সমাজসেবা কার্যালয়, মৎস্য অধিদপ্তর, আয়কর বিভাগ, রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমি, রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমি, বিএমডিএ, রাজশাহী জেলা পরিষদ, নেসকো, পর্যটন, টুরিষ্ট পুলিশ, আনসার ভিডিপি, আর আর এফ, ফায়ার সার্ভিস, খাদ্য অধিদপ্তর, ওষুধ প্রশাসন, নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার ও রাজশাহী ওয়াসাসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর ও সংস্থা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলাদাভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহিদদের শ্রদ্ধা জানান।

সকাল আট’টায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরউল্লাহ্ এনডিসি জাতীয় সংগীত পরিবেশনার সাথে সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে তিনি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন।

এরপর বেলা ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ’জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ঐতিহাসিক নেতৃত্ব ও দেশের উন্নয়ন’’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরউল্লাহ্ এনডিসি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তৃতা করেন।

সভায় তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ৭মার্চের ভাষনের মাধ্যমে গোটা বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার তীব্র আকাঙ্খায় উজ্জীবিত করেছিলেন। তাঁর ভাষনে উজ্জীবিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজী রেখে রক্তের বিনিময়ে এদেশকে স্বাধীন করেছিলেন। তিনি আরো বলেন, ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে গ্রেফতারের পূর্ব মুহূর্তে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি বঞ্চনা, অন্যায়, অবিচার, সাম্প্রদায়িকতা, বৈষম্য ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মাধ্যমে বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাই ২৬ মার্চ বাঙালি জাতির জন্য অহংকার ও শৃঙ্খল মুক্তির দিন। বিশে^র বুকে লাল সবুজের পতাকা ওড়ানোর দিন। সোনার বাংলা বিনির্মাণে উজ্জীবিত হওয়ার দিন বলে অভিহিত করেন।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বৈশি^ক অতিমারি করোনার মধ্যেও আমাদের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ২ শতটি দেশের মধ্যে আমরা ৮ম। বাংলাদেশ আজ বিশে^র দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল। মহান স্বাধীনতার ৫২তম বছর পেরিয়ে ৫৩তম বছরে এসে আমরা বেশ কিছু গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেছি। আমাদের মাথাপিছু আয় বাড়ছে, শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে পদার্পণ করেছি, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণসহ দেশের প্রতিটি সেক্টরে সাফল্য অর্জন করেছি।
বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় তাদের মেধা ও মননকে কাজে লাগিয়ে ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন সবার সম্মিলিত প্রয়াস এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠা। তিনি সকলকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হবার উদাত্ত আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আব্দুল হাদী ও জিন্নাতুন নেসা তালুকদার আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন।
জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল বাতেন, আরএমপি’র কমিশনার আনিসুর রহমান, পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন বক্তৃতা করেন। সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর ও সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin