শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
যুবদল কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে সম্মাননা স্মারক প্রদান ভূমি মন্ত্রী মিনুর সুস্থতা কামনায় রাজশাহীতে দোয়া মাহফিল ফাঁকিবাজি ও দুর্নীতি রোধে শিক্ষকদের ভূমিকা জরুরি: এমপি মিলন প্রশাসনের আশ্বাসে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি স্থগিত রাজশাহীতে টাইলসের নিচে লুকানো মাদক ও নগদ ১১ লাখ টাকাসহ ২ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পিজি হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিনু সকল বাধা অতিক্রম করে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের ‘কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে এমপি অসুস্থ বিএনপি নেতা বাদশার পাশে এমপি মিলন পবার খড়খড়ি এলাকার শ্রী শ্রী গোপালদেব ঠাকুর মন্দির পরিদর্শন করলেন এমপি মিলন অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিনুর পাশে এমপি মিলন

নানা গুনে গুনান্বিত ঔষধী গাছ হাতিশুর

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ২১ মার্চ, ২০২২
  • ৩৬৩ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিনা পার্শ প্রতিক্রিয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থা হচ্ছে ভেজস চিকিৎসা। সৃষ্টির শুরু থেকে এই ভেজস চিকিৎসা চলে আসছে। আজ থেকে ২৫-৩০ বছর পূর্বেও বিশেষ করে গ্রামের মানুষগুলো ভেজস চিকিৎসার উপর বেশী নির্ভর ছিলো। এখনো এর কোন অংশে কম নেই পিছিয়ে নেই এই চিকিৎসা। গাছ গাছরা দ্বারা ইউনিয়ন ও ভেজস ওষুধ কোম্পানীগুলো বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরী করে বাজারজাত করছে। আর সেসব ওষুধগুলো মানুষ ক্রয় করে খাচ্ছে। এছাড়াও গ্রামে গঞ্জে এখনো এর প্রচলন রয়েছে। কারন গাছের মধ্যে নেই কোন ভেজাল। এখন সরকারীভাবে এবং ব্যক্তি উদ্যোগে ব্যপকভাবে ঔষধী গাছের চাষ হচ্ছে। আর একেক গাছের একেক গুন রয়েছে।

তেমনি বাংলাদেশের আনাচে কানাচে হাতিশুর নামে একটি ভেজস গাছ পাওয়া যায়। যা পুরনো দালান ঘেঁষে কিংবা রাস্তার ধারে অন্য আগাছার মাঝে এ গাছটি দেখা যায়। এ গাছের বাঁকানো পুষ্পদণ্ডে ফুটে থাকে সাদা সাদা ফুল। হাতির দাঁতের মতো শুভ্র এই ফুল। গাছটি আগাছার সঙ্গে এখানে সেখানে জন্মায় তাই সাধারণের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। মোটামুটি এক দেড় ফুট লম্বা হয়। গাছের কাণ্ড ফাঁপা ও নরম। সারা দেহে ছোট ছোট রোম আছে। গাছের ওপরের দিকের কাণ্ড চৌকো ও নিচের দিকে অপেক্ষাকৃত গোলাকার। সংস্কৃত নাম শ্রীহস্তিনী। আর বৈজ্ঞানিক নাম হেলিওট্রোপিয়াম ইনডিকাম এবং ইংরেজি নাম ইন্ডিয়ান হেলিওট্রোপ।

হাতিশুর গাছের নানা ধরনের উপকারিতা রয়েছে। যেমন- দেহে ছত্রাকজনিত সংক্রমণে লাল চাকা চাকা দাগ নিরাময়ে এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়। ফোলায় পাতা বেঁটে অল্প গরম করে ফোলায় লাগালে, ফোলা কমে যায়। জ্বর ও কাশিতে এই গাছের মূল জলের সঙ্গে ফুটিয়ে ক্বাথও তৈরি করে ব্যবহার করা হয়। বিষাক্ত পোকার কামড়ে পাতার রস লাগালে জ্বালা এবং ফোলা কমে যায়। আঘাতজনিত ফোলায় পাতা বেঁটে অল্প গরম করে লাগালে, ফোলা এবং ব্যাথা কমে যায়। যাদের সর্দি লাগবে তারা এই হাতিশুড়ের পাতা সেচে দুই চামচ পরিমাণ রস খেলে সর্দি ভাল হবে।

এছাড়াও টাইফয়েড জ্বরে এই উদ্ভিদ এর পাতা হতে পারে কার্যকরী সমাধান। এর পাতার রস হালকা গরম করে পানিতে মিশিয়ে খেলে টাইফয়েড ভাল হয়। একজিমা থেকে মুক্তি পেতে হাতিশুর গাছের পাতা থেতলে আক্রান্ত স্থানে দিন। এভাবে কিছুদিন ব্যবহারে একজিমা সেরে যাবে। রেড়ির তেলের সঙ্গে পাতার রস মিশিয়ে পাক করে গাঁটে লাগালে রিউম্যাটিক বাত থেকে উপশম পাওয়া যায়। দাঁতের মাড়ি ফোলা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি হাতিশুরের মূল চিবালে মাড়ি ফোলা কমে যায়।

শুধু তাই নয় কাটা ছেঁড়া স্থানে হাতিশুরের পাতা থেতলে রস দিতে হবে এতে কাটা ছেঁড়া ঘুচে যাবে। ব্রন হলে বা এর দাগ হয়ে গেলে হাতিশুঁড় গাছের পাতা ও তার কচি ডাল থেঁতো করে দুপুরে গোসল করতে যাবার ১ঘন্টা আগে ব্রণের ওপর প্রলেপ দিলে ব্রণ সারে এবং নতুন করে আর ব্রণ হয় না এবং ফ্যারিঞ্জাইটিস রোগে পাতার রস অল্প গরম জলে মিশিয়ে গার্গল করলে তা ভাল হয় বলে বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin