শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
প্রশাসনের আশ্বাসে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি স্থগিত রাজশাহীতে টাইলসের নিচে লুকানো মাদক ও নগদ ১১ লাখ টাকাসহ ২ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পিজি হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিনু সকল বাধা অতিক্রম করে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের ‘কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে এমপি অসুস্থ বিএনপি নেতা বাদশার পাশে এমপি মিলন পবার খড়খড়ি এলাকার শ্রী শ্রী গোপালদেব ঠাকুর মন্দির পরিদর্শন করলেন এমপি মিলন অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিনুর পাশে এমপি মিলন রাজশাহীতে আনন্দ-বিষাদে দেবী দুর্গাকে বিদায়: পদ্মায় প্রতিমা বিসর্জন ৫ দফা দাবিতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি কাঁকনহাট পৌর সাবেক মেয়র আব্দুল মজিদ এর ইন্তেকাল

বাগমারায় ডিপিএস প্রতারণা: তিনজনের বিরুদ্ধে সুদ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫
  • ২৭৩ বার দেখা হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় ডিপিএসের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা। সোমবার বিকেলে নগরের ভদ্রায় একটি রেস্তোরাঁয় এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুদ বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগও তোলা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সজীব। তিনি উল্লেখ করেন তাঁর বাবাও ওই ডিপিএসে টাকা জমা করেছেন। সজীব জানান, ২০১০ সালের দিকে বাগমারা উপজেলার কালিগঞ্জ এলাকায় ‘গোল্ডেন ডিপিএস’ নামে একটি কোম্পানি আসে। তখন এলাকায় অফিসও করা হয়। এলাকা থেকে ২০০ জনের বেশি মাসিক ২০০ টাকা হারে জমা দিতে থাকে। কেউ তিন বছর, কেউ পাঁচ বছর, কেউ আরও দীর্ঘ দিন টাকা জমা দিয়েছেন। পরে অফিস চলে যায়।

এতে কওের এই মানুষগুলো বিপদে পড়েন। এলাকার মানুষজন ভয়ে দীর্ঘ দিন এদের সম্পর্কে কথা বলতে পারেনি। কারণ এরা আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন। শুধু তাই নয়, এর হোতা সাইফুল ইসলাম, তার ছেলে সাজেদুর রহমান, ছেলের শশুর মোজাফফর হোসেন একটি চক্র করেছেন। এরা সুদ বাণিজ্য ও চাঁদাবাজিও করেছেন। এলাকার মানুষ এত দিন ভয়ে কিছু বলতে পারেননি। তবে ৫ আগস্টের পর তারা কথা বলা শুরু করেন। কিন্তু তারা টাকা ফেরত দিচ্ছে না।

সজীব বলেন, তারা এ ঘটনায় আদালতে মামলা করতে এসেছিলেন। সাজেদুর আদালতে একজন আইনজীবীর সহকারী হিসেবে কাজ করেন। তার প্রভাবে মামলা করতে পারেননি। তবে কাল মামলাটি করবেন। আব্দুল মজিদ নামে একজন বলেন, গরীব মানুষ হিসেবে সঞ্চয়ের আশায় তিনি ৩৬ হাজার টাকা জমা করেছিলেন। কিন্তু সেই টাকা আজ পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হয়নি।

এ ব্যাপারে সাজেদুর রহমান এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেক আগে গোল্ডেন লাইফ ইন্সুরেন্স ‘গোল্ডেন ডিপিএস’ নামে একটি ডিপিএস এসেছিল এলাকায়। তখন অফিসও ছিল। তিনিসহ তার বাবা ফিল্ড লেবেলে কাজ করতেন। তখন টাকা জমা নেওয়া হত। কিন্তু কয়েক বছর পর দেখা গেল টাকা জমা করার ক্ষেত্রে মানুষের আগ্রহ কম। তখন সবাইকে রাজশাহী অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিয়ে তারা এখান থেকে সরে যান। অনেকে তখন টাকা তুলে নিয়েছেন। আবার অনেকে রাজশাহী অফিসের মাধ্যমে টাকা জমা করেছেন। বহু বছর পর এখন তারা এই দাবি করছে। তারা এখনও অফিসে যথাযথ প্রক্রিয়ায় কাগজপত্র নিয়ে গেলে টাকা পাবেন। এখানে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কোনো বিষয় নেই বলে জানান।

তিনি আরও বলেন, তারা এটা টাকার জন্য করছেন না। তারা তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে এটা করছেন। তারা এখন নিজেদের বিএনপি দাবি করছেন। কিন্তু তারা বিএনপি করেন না। আর তার শশুর একজনকে টাকা দিয়েছিলেন। গ্রামে টাকা নিলে তো সুদ দিতে হবেই।

এ ব্যাপারে বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহা. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ঐ এলাকার একটি ঘটনাকে কেন্দ্র একদল মানুষ তার কাছে এসেছিলেন। ডিপিএসের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বলছিলেন। তিনি তখন বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ দেওয়ার কথা বলেছিলেন। পরে আর থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান ঐ পুলিশ কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin