শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
প্রশাসনের আশ্বাসে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি স্থগিত রাজশাহীতে টাইলসের নিচে লুকানো মাদক ও নগদ ১১ লাখ টাকাসহ ২ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পিজি হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিনু সকল বাধা অতিক্রম করে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের ‘কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে এমপি অসুস্থ বিএনপি নেতা বাদশার পাশে এমপি মিলন পবার খড়খড়ি এলাকার শ্রী শ্রী গোপালদেব ঠাকুর মন্দির পরিদর্শন করলেন এমপি মিলন অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিনুর পাশে এমপি মিলন রাজশাহীতে আনন্দ-বিষাদে দেবী দুর্গাকে বিদায়: পদ্মায় প্রতিমা বিসর্জন ৫ দফা দাবিতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি কাঁকনহাট পৌর সাবেক মেয়র আব্দুল মজিদ এর ইন্তেকাল

আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যানের দাপটে হচ্ছেনা গোদাগাড়ীর ফেরিঘাট ইজারা

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫
  • ২৪০ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বড়গাছী পেটয়া বিদিরপুর ফেরিঘাট, ফুলতলা ভাটুপাড়া ফেরিঘাট এবং ভগবন্তপুর পেটয়া আনাতুলি এই তিনটি ফেরিঘাট চলতি বাংলা সনে এখন পর্যন্ত ইজারা দেয়া হয়নি। এতে করে সরকার হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব। এ বিষয়ে ঘাট ব্যবসায়ী সোহরাব আলী বলেন, গত ১৪৩১ বাংলা সনে বড়গাছী পেটয়া বিদিরপুর পঁচাত্তর লক্ষ টাকা, ফুলতলা ভাটুপাড়া ফেরিঘাট চৌষট্টি লক্ষ টাকা এবং ভগবন্তপুর পেটয়া আনাতুলি ফেরিঘাট ছিচল্লিশ লক্ষ টাকা ইজারা দেয়া হয়। এতে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব পায় সরকার।

তিনি আরো বলেন, ১৪৩২সালে এই ঘাটগুলো মাত্র এক মাসের জন্য ইজারা দেয়া হয়েছিলো। এতে বড়গাছী পেটয়া বিদিরপুর ফেরিঘাট মাসিক এক লক্ষ ষাট হাজার টাকা, ফুলতলা ভাটুপাড়া ফেরিঘাট মাসিক পঁয়তাল্লিশ হাজার টাকা ও ভগবন্তপুর পেটয়া আনাতুলি ফেরিঘাট মাসিক সাড়ে লক্ষ টাকায়। এরপর হঠাৎ করে ফেরিঘাট ইজারা দেয়া বন্ধ করে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়। পরে রাজশাহী জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ এই তিনটি ফেরিঘাট ইজারা দেয়ার জন্য আওয়ামীলীগ সমর্থিত চর আষাড়িয়াদহ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ভোলাকে দায়িত্ব দেন। কিন্তু চেয়ারম্যান মাসিক বা কোন প্রকার ইজারা না দিয়ে নিজেই হয়ে গেছেন ইজারাদার। তিনি ঘাটগুলো ইজারা না দিয়ে নিজেই শুরু করেছেন টাকা উত্তোলনে।

সোহরাব আলী বলেন, উপরোক্ত তিনটি ঘাট ইজারা নেয়ার জন্য তিনি বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে একটি আবেদন করেন। সেখানে বড়গাছী পেটয়া বিদিরপুর ফেরিঘাট তাঁর নিজের নামে, গোলাম নবী গোলাপের নামে ফুলতলা ভাটুপাড়া ফেরিঘাট এবং ভগবন্তপুর পেটয়া আনাতুলি ফেরিঘাট মাসুদ রানার নামে পাঁচ লক্ষ টাকা করে দিয়ে ইজারা নেয়ার কথা উল্লেখ করেন। কিন্তু বিভাগীয় কমিশনার তা আমলে নেননি বলে জানান তিনি। এখন ইজারা না দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নিজেই ঘাটের উত্তোলন করলেও জেলা পরিষদ থেকে কোন প্রকার পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছেনা। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে চেয়ারম্যানের এই অবৈধ কাজের সঙ্গে জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা যুক্ত আছেন।

ঘাট ইজারা বিষয়ে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মু: রেজা হাসান এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঐ ঘাটগুলো স্বাধীনতার পর থেকেই জেলা পরিষদ দেখভাল করে আসছে। অতিতে ইজারা ছিলো। কিন্তু ইজাদাররা সরকারী নিয়ম অমান্য করে টাকা উত্তোলন করায় বাংলা বছরের শুরুতেই চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের লোকজন ইজারা বাতিল করার দাবী জানান। সেইসাথে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে স্মারলিপি দেন। বিভাগীয় কমিশনার যাচাই-বাছাই করে অস্থায়ীভাবে ইজারা বাতিল করে চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়েন পরিষদের চেয়ারম্যানকে ঘাটগুলো আপাতত দেখভাল এবং টাকা উত্তোলন করে সরকারী রাজস্ব খাতে জমা দেয়ার নির্দেশনা দেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, ঘাট গুলো আগামীতে কিভাবে চলবে সে বিষয় নিয়ে একটি কমিট গঠন করা হয়েছে। ঐ কমিটি তদন্ত করছেন। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পরেই সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান তিনি। সে পর্যন্ত চেয়ারম্যান ঘাটগুলো দেখভাল করবেন বলে উল্লেখ করেন এই কর্মকর্তা।

 

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin