সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: এমপি মিলন বাপা ও রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের আঞ্চলিক সেমিনার নভেম্বরে ভূমি মন্ত্রী মিনুর সুস্থতা কামনায় ইনসাব এর দোয়া মাহফিল বাংলার জাতীয় খেলা হা-ডুডুকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা হবে: এমপি মিলন যুবদল কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে সম্মাননা স্মারক প্রদান ভূমি মন্ত্রী মিনুর সুস্থতা কামনায় রাজশাহীতে দোয়া মাহফিল ফাঁকিবাজি ও দুর্নীতি রোধে শিক্ষকদের ভূমিকা জরুরি: এমপি মিলন প্রশাসনের আশ্বাসে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি স্থগিত রাজশাহীতে টাইলসের নিচে লুকানো মাদক ও নগদ ১১ লাখ টাকাসহ ২ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পিজি হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিনু

পবায় এখনো পলাতক ও মাদক কারবারি ডিলার বহাল রেখেছে উপজেলায় খাদ্য কর্মকর্তা

  • প্রকাশ সময় বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৪৭ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী জেলার পবা উপজেলায় খাদ্য কর্মকর্তা একেএম ফজলুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এরআগে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক বিবেচনা ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় খোলা বাজারে খাদ্য শস্য বিক্রয় (ওএমএস) ডিলার নিয়োগ দিয়েছেন তিনি।

এমনকি মাদক কারবারিকেও ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র হত্যার দায়ে অভিযুক্তের দায়ে উপজেলার সকল ডিলার পলাতক রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলেও উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা একেএম ফজলুল হক কোন পদক্ষেপ নেননি বলে জানা গেছে। সে কারণে উপজেলাজুড়ে ওই খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেকে আশংকা করছেন-এ নিয়ে যে কোন সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।

বর্তমানেও খোদ আওয়ামী লীগের পদধারী ডিলারগণ এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। যারা কিনা অনেকে পলাতক। হুজুরীপাড়া ইউনিয়নের লুৎফর রহমান ও ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সভাপতি। তিনি পলাতক রয়েছেন। হরিপুর ইউনিয়নের সোনাইকান্দির কামরুজ্জামান নবাব, হরিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক, হরিয়ান মৃধাপাড়ার হাসান আহমেদ জুয়েল পবা উপজেলা আওয়ামী লীগ কমিটির প্রভাবশালী নেতা, নওহাটা পৌর সভার আব্দুল বারী খান, নওহাটা পৌর আওয়ামী সাবেক সভাপতি এবং মাজদার রহমান নওহাটা পৌর যুবলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এদের বিরুদ্ধে ওজনে কম দেয়ার অভিযোগে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা একেএম ফজলুল হককে জানালে তিনি কোন পদক্ষেপ নেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলছেন এমন কর্মকর্তা থাকলে সঠিক ডিলার নিয়োগ হবে না এবং অনিয়ম লেগেই থাকবে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহরাব হোসেন জানান, বিগত সময়ে খোলা বাজারে খাদ্য শস্য বিক্রয় (ওএমএস) ডিলার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। ইতোমধ্যে তদন্ত সাপেক্ষে ৪ জন ডিলারের অনিয়মের তথ্য প্রমাণিত হওয়ায় লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। অবশিষ্ট ডিলারদের বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। এবিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ওমর ফারুক কে একাধিকবার ফোন করা হলেও কল তিনি রিসিভ করেন নাই।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin