নিজস্ব প্রতিবেদক: বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকদের সহজে সেচসুবিধা দেওয়া এবং কৃষি সেচব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও টেকসই করার বিষয়ে ভাবছে সরকার। এ অঞ্চলের কৃষির উন্নয়ন ও সেচব্যবস্থার আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুরুত্ব দিচ্ছেন। পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশনাও রয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজশাহী বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) প্রধান কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন প্রধান অতিথি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) রেহান আসিফ আসাদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম খান (গ্রেড ২)।
এ সময়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি এবং কৃষকের উন্নয়নের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। তাই কৃষকেরা যাতে সহজে ও কম খরচে জমিতে সেচ দিতে পারেন, সে লক্ষ্যে সেচব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে পানির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করে কৃষি উৎপাদন ব্যয় কমানোর বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। কৃষকদের সুবিধা বাড়াতে সেচব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বরেন্দ্র অঞ্চলের সেচব্যবস্থায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ তিনি আরো বলেন, বিএমডিএ‘র আওতাধীন সকল ডিপ টিউবওয়েল সোলার এর মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। সৌরবিদ্যুত ব্যবহারে গেলে বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি পরিচালন ব্যয় সাশ্রয় করা সম্ভব। এ ছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও পরিবেশ সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখা যাবে।
তিনি আরো বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। এ নির্দেশনার আলোকে বিএমডিএসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও ব্যবহারের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে। এর মাধ্যমে বিদ্যুতের ব্যায় কমানোর পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. আবুল কাসেম, সচিব মেহেদী হাসান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জিন্নুরাইন খান, শিবির আহমেদ ও তরিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদ, নির্বাহী তোফাজ্জল আলী সরকার, এ,এস.এম দেলোয়ার হোসেন ও আতিকুর রহমানসহ বিএমডিএর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাবৃন্দ।