নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগর অধিনস্থ রাজপাড়া থানা বিএনপি কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করেছেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুন এবং রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন। শুক্রবার রাজশাহী ভুবন মোহন পার্কে রাজশাহী মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের প্রস্তুতি সভা চলাকালে রাজপাড়া থানা বিএনপি’র সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক রাজশাহী মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দের সাথে ঔদ্ধত্তপূর্ণ আচরণ করেন যার ফলে রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র শীর্ষ নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিক এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
এসময় সভাস্থলে রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আসলাম সরকার,শফিকুল ইসলাম শাফিক, জয়নাল আবেদিন শিবলী, মোকতার হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলু। আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক মীর তারিক খালিদ, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি, মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক সরফুজ্জামান শামিম, সদস্য সচিব আশরাফুল হক, শ্রমিকদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম পাখি, সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন, ছাত্রদল রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিন রায়হান রবিন ও সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন সহ রাজশাহী মহানগর অধিনস্থ ৭টি থানা বিএনপি’র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ ।
সভায় উদ্ধৃত পরিস্থিতিতে রাজপাড়া থানা বিএনপি’র সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এর বক্তব্য চলাকালীন সময়ে তাকে উদ্দেশ্য করে একটি ঘটনার বিচার চাইলে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, মিটিং শেষে আপনাদের নিয়ে বসবো, মিজান এবং তার সাথে থাকা রাজপাড়া থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আমিনুল আরও উচ্চবাক্য করে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য বিষদগার করেন। এমন পরিস্থিতি মঞ্চে বসে থাকা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা ক্ষিপ্ত হন। পরবর্তীতে রাজপাড়া থানা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দকে বসতে বললে তারা তা না মেনে সভা থেকে বের হয়ে চলে যান।
তাদের এই আচরণ দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে রাজপাড়া থানা বিএনপি’র কার্যক্রম স্থগিতের প্রস্তাব করেন মাহফুজুর রহমান রিটন, এই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুন রাজশাহী মহানগর রাজপাড়া থানা কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করেন। এদিকে মহানগর বিএনপি ও একাধিক থানা বিএনপির নেতারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। কিন্তু মহানগর বিএনপির সভাপতিকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে জানতে মিজানুর রহমান মিজানকে মোবাইলে বার বার কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।