শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
প্রশাসনের আশ্বাসে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি স্থগিত রাজশাহীতে টাইলসের নিচে লুকানো মাদক ও নগদ ১১ লাখ টাকাসহ ২ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পিজি হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিনু সকল বাধা অতিক্রম করে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের ‘কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে এমপি অসুস্থ বিএনপি নেতা বাদশার পাশে এমপি মিলন পবার খড়খড়ি এলাকার শ্রী শ্রী গোপালদেব ঠাকুর মন্দির পরিদর্শন করলেন এমপি মিলন অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিনুর পাশে এমপি মিলন রাজশাহীতে আনন্দ-বিষাদে দেবী দুর্গাকে বিদায়: পদ্মায় প্রতিমা বিসর্জন ৫ দফা দাবিতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি কাঁকনহাট পৌর সাবেক মেয়র আব্দুল মজিদ এর ইন্তেকাল

রাজশাহীতে খানকা শরীফ ভাঙচুর, থামাতে পারেনি আইনশৃংখলা বাহিনী

  • প্রকাশ সময় শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩০৩ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীতে বিক্ষুব্ধ জনতা দেড় শতাধিক মুসল্লিকে সঙ্গে নিয়ে একটি খানকা শরীফে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর এ ঘটনা ঘটে। এলাকার বাসিন্দা আজিজুর রহমান ভান্ডারী প্রায় ১৫ বছর আগে পবা উপজেলার বড়গাছি ইউনিয়নের পানিশাইল চন্দ্রপুকুর গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে ‘হক বাবা গাউছুল আজম মাইজ ভান্ডারী গাউছিয়া পাক দরবার শরীফ’ নামের খানকা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি তাঁর অনুসারীদের কাছে ‘পীর’ হিসেবে পরিচিত। প্রতিবছর এখানেই ঈদ-এ মিল্লাদুন্নবী (সা:) পালিত হয়।

তিন দিনের মিলাদ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এবার বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত তিন দিনের মিলাদ আয়োজন ছিলো। সেখানে নারী শিল্পীদের অংশগ্রহণ, ভান্ডারী ও মুর্শিদী গান পরিবেশনের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়।

আজিজুর রহমান ভান্ডারী বলেন, ‘কয়েক দিন ধরেই কিছু লোক অনুষ্ঠান বন্ধ করতে চাপ দিচ্ছিল। গতরাতে তারা পবা থানায়ও গিয়েছিল। জুমার নামাজের পর তারা একত্রিত হয়ে খানকায় হামলা চালায়।’ হামলার আশঙ্কায় ওইদিন খানকা এলাকায় দুই গাড়ি পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পবা থানার ওসি মনিরুল ইসলামও ঘটনাস্থলে ছিলেন। তবে হামলার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকলেও জনতাকে থামাতে পারেনি।

হামলার ভিডিওতে দেখা যায়, দেড় শতাধিক মুসল্লি টিন দিয়ে ঘেরা খানকায় হামলা চালাচ্ছে। টিনের ঘের মুর্হুমুহু আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘মানুষ এত বেশি ছিল যে অল্পসংখ্যক পুলিশ দিয়ে কিছু করা সম্ভব হয়নি। এখন অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজিজুর রহমান ভান্ডারী বলেন, ‘আমি বের হইনি। ভক্তরা আমাকে বাড়িতে রেখেছে। হামলাকারীরা আমার বাড়িতেও ইট-পাটকেল ছুড়েছে।

তবে তিনি থানায় কোনো অভিযোগ করবেন না বলে জানিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, ‘যেখানে পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকেও কিছু করতে পারেনি, সেখানে অভিযোগ করব কার কাছে? আমি মানবধর্ম করি, সবাইকে মাফ করে দিলাম। আল্লাহও যেন তাদের মাফ করে দেন।

ভান্ডারী দাবি করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা ও ইউপির সাবেক সদস্য গোলাম মোস্তফা হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন। তবে গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘গতরাতে থানায় গিয়েছিলাম। কিন্তু হামলার সময় ছিলাম না। পবা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন বলেন, ‘খানকা ভাঙার দরকার কি? যার যেটা বিশ্বাস, সে সেটা করবে। বিএনপি হলেও ছাড় নেই।

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর পবা উপজেলার আমীর আযম আলীও দায় অস্বীকার করে বলেন, ‘আমাদের দলের কেউ হামলায় যায়নি। ঘটনার পরও থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। হামলার শিকার আজিজুর রহমান ভান্ডারী অভিযোগ না করে বরং হামলাকারীদের ক্ষমা করে দিয়েছেন।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin