নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজশাহীতে আসবেন। ভ্রমনকালে তিনি মন্দীর পরিদর্শন এবং রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় মিলিত হবেন। সেখান থেকে পাট ও আখ চাষীদের মধ্যে প্রনোদনার অর্থ প্রদান করবেন। তাঁর আগমন উপলক্ষে রাজশাহীতে বর্তমানে সাজ সাজবর উঠে গেছে। সেইসাথে প্রশাসন ও আইনশৃংখলা বাহিনী প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য রাতদিন কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের সার্বিক সহযোগিতা করছেন রাজশাহীর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ উপলক্ষে শনিবার বিকেলে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে, জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে চূড়ান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী। সভায় মূখ্য ভূমিকা পালন করেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লেপ্টেনেন্ট কর্নেল এ.এস.এম নূর মোকাররম।
সভায় উপস্থিত থেকে পারমর্শ প্রদান করেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কীত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট শাহীন শওকত, রাসিক প্রশাসক ও বিএনপি রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন ও রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। এছাড়াও সভায় রাজশাহীর সকল সরকারী অফিসের প্রধান ও প্রতিনিধগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় যার যার দপ্তরের কার্যক্রম সমুহ তারা তুলে ধরেন। এ সময়ে লেপ্টেনেন্ট কর্নেল এ.এস.এম নূর মোকাররম বলেন, আজকেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। এখন থেকে কোন প্রকার এক্সকিউজ শোনা হবেনা। যার যার জায়গা থেকে প্রস্তুত থাকা এবং তাঁকে রিপোর্ট করার আহ্বান জানান তিনি। সেইসাথে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের পরে তাঁকে কোন প্রকার ফুল দেয়া থেকে বিরত থাকা এবং কার্ড ছাড়া কেউ তাঁর নিকট বা সমাবেশ স্থলে প্রবেশ করতে পারবে না বলে জানান তিনি। এজন্য এই দুইদিনের মধ্যে নাম প্রদান করার জন্য তিনি নেতৃবৃন্দ, আইন শৃংখলা বাহিনী, সকল সরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, মন্দীর কমিটি ও পিআইডিকে পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, জনগণের চলাচলে রাস্তাঘাটে কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা যেন না হয় সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। সেইসাথে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের মালামাল সংরক্ষণ করা বা সুন্দর করে ঢেকে রাখার পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে নিযুক্ত সদস্যদের বিনা অনুমতিতে ড্রন উড়ানো যাবেনা বলে উল্লেখ করেন তিনি। সেইসাথে তাঁর স্বাস্থ্যের দিক বিবেচনা করে মেডিকেল টিম ও এ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা এবং মাঠে উপস্থিত জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার আহ্বানসহ নানাবিধ পরামর্শ দেন তিনি।