নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন খেয়াঘাট নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে চলছে নানা অনিয়ম ও তেলেসমাতি। একটি গ্রুপ নিজেদের আখের গোছানোর জন্য ভূল বুঝিয়ে সরকারকে লক্ষ লক্ষ টাকা থেকে বঞ্চিত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এর নেপথ্যে রয়েছে মাদক ব্যবসায়ী গোদাগাড়ী উপজেলার দিয়ার মানিকচক(পূর্বপাড়া) গ্রামের আনারুল ইসলাম এর ছেলে আব্দুল্লাহ হিল কাফি। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামী দলের নাম ভাঙ্গিয়ে এই কাজ করছেন।
এই আনারুলের নামে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মাদকের মামলা রয়েছে। সেইসাথে আনারুল জেলও খেটেছেন। এমনটাই বলছিলেন রাজশাহীর গোদাগাড়ীর উপজেলার ঘাট ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিন পিন্টুর ছেলে আলমগীর হোসেন স্বপন। তিনি আরো বলেন, গোদাগাড়ী উপজেলাধীন বড়গাছী পেটয়া বিদিরপুর, ফুলতলা ও ভগবন্তপুর পেটয়া আলাতুলি ঘাট হতে দীর্ঘদিন থেকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। আর এই রাজস্ব থেকে সরকারকে বঞ্চিত করার মুল হোতা হচ্ছে এই আব্দুল্লাহ হিল কাফি। এর সাথে জড়িত রয়েছে ঘাটের অন্যান্য মাঝিগণ।
তিনি আরো বলেন, চরের জনগণের কথা চিন্তা করে সরকার রাজস্ব বন্ধ করেছেন। সেইসাথে জনপতি পাঁচ টাকা করে পারাপারের জন্য নির্ধারিত করে দিলেও সরকারের নির্ধারিত ভাড়া না নিয়ে জন প্রতি বিশ টাকা করে ভাড়া আদায় করছেন কাফি ও তার দোসররা। শুধু তাইনয় মালামাল পারাপারে নির্ধারিত ভাড়ার থেকে তিনগুন টাকা আদায় করছে বলে জানান তিনি। কাফি এবং মাঝিগণ সব টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে খাচ্ছে। এদিকে সরকার হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব। নিজের আখের গোটানোর জন্য কাফি সরকারকে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করছে বলে জানান তিনি। তিনি দ্রুত উপরোক্ত ঘাট সমুহ ইজারা দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষকে অনুরোধ জানান।
আব্দুল্লাহ হিল কাফির নিকট এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্র শিবির করার সময়ে ষড়যন্ত্র করে তার বাবার নামে মাদক মামলা দিয়েছিলো পতিত সরকার। তিনি এখন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একজন নেতা। তারা পরিবারের কেউ এই মাদকের ব্যবসার সাথে জড়িত নয়। আর ঘাটে কোন টাকা নেয়া হয়না। শুধুমাত্র নৌকায় পারাপারের জন্য মাঝিরা ভাড়া আদায় করেন। তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। তাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই এটা করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।