নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী আগমনকে কেন্দ্র করে রাজশাহীবাসীর মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার হবে এবং মানুষ উচ্ছ্বসিত হবে আশা প্রকাশ করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। বিশেষ করে শারদীয় দুর্গাপূজার চলাকালীন এ সফর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য এক বড় প্রাপ্তি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফর এবং শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, “এর আগে কোনো সরকার প্রধান পূজার সময় রাজশাহীতে আসেননি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসছেন—এটি আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। তিনি রাজশাহীর মানুষকে অত্যন্ত ভালোবাসেন।” এ সময় তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে বলেন, তারাও রাজশাহীকে খুব ভালোবাসতেন এবং বারবার এখানে এসেছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও সেই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীবাসীকে অত্যন্ত স্নেহ ও ভালোবাসা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে সুশৃঙ্খল, সুন্দর ও নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলায় যাতে কোনো ধরনের ত্রুটি না থাকে সেভাবে সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সাথে শারদীয় দুর্গাপূজা যাতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদার করা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা এবং জেলা পুলিশ সুপার মামুন অর রশিদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ী পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।