বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
অসুস্থ বিএনপি নেতা বাদশার পাশে এমপি মিলন পবার খড়খড়ি এলাকার শ্রী শ্রী গোপালদেব ঠাকুর মন্দির পরিদর্শন করলেন এমপি মিলন অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিনুর পাশে এমপি মিলন রাজশাহীতে আনন্দ-বিষাদে দেবী দুর্গাকে বিদায়: পদ্মায় প্রতিমা বিসর্জন ৫ দফা দাবিতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি কাঁকনহাট পৌর সাবেক মেয়র আব্দুল মজিদ এর ইন্তেকাল পবার বড়বিলের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে: এমপি মিলন প্রধানমন্ত্রীকে ক্যাপ এবং গেঞ্জি উপহার বিএমডিএ এর সাথে রেহান আসিফ আসাদ মতবিনিময় সভা কৃষক ও কৃষি বাঁচলে দেশ বাঁচবে, রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী

পবার বড়বিলের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে: এমপি মিলন

  • প্রকাশ সময় বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবা উপজেলার বড়বিলের উন্নয়নে অল্প কিছুদিনের মধ্যে নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে আশ্বাস প্রদান করেছেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কীত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন। তিনি বুধবার বেলা ১১টার দিকে বড়বিলে যান। অত্র বিলের বিভিন্ন সমস্যা ও এই বিল সম্পর্কে হুজুরীপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী অবহিত করেন।

তাঁদের কথা মনোযোগসহকারে শোনার পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বড়বিলের বেশীরভাগ সম্পত্তি সরকারী খাস। এই বিলে অনেক ধান ও মাছের চাষ হচ্ছে। ধান চাষে জলাবদ্ধতা বর্তমানে প্রকোট আকার ধারন করেছে। এজন্য এলজিইডি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে আলোচনা করে এই বিলের মধ্যে দিয়ে রাস্তা, ড্রেন এবং ক্যালেন করার উদ্যোগ গ্রহন করা হবে। সেইসাথে ভূমিহীনদের এখানে বসবাসসহ পার্ক কিংবা কলকারখানা করে এই এলাকার উন্নয়ন করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিন। তার আগে এটা করতে সরকার প্রধান ও নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, এই বিল অনেক প্রাচীন। পূর্বে যোদ্দাররা এই বিল নিজেদের আয়ত্বে রেখেছিলো। তারা সাধারণ জনগণকে দিয়ে চাষাবাদ করে জোর করে ফসল নিয়ে যেত। প্রতিবাদ করলে নির্যাতনের স্বীকার হতে হতো। এই জমিগুলো অনেক আগে হয়তো এক্সচেঞ্জ করেছিলো। এখন তা আর নাই। আমরা যেখানেই থাকিনা কেন আমরা বাংলাদেশী। আমরা সর্বদা নিজের এলাকার পরিচয় দিয়ে থাকি। আগমী প্রজন্মের জন্য তিনি এবং তার সরকার কিছু করে যেতে চান বলে উল্লেখ করেন সংসদ সদস্য।

তিনি আরো বলেন, বাংলার রাখালরাজা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন পুকুরে মাছ চাষ, বাড়িতে হাঁস, মুরগী, গরু,ছাগল ও ভেড়া এবং বাড়ির চারিপার্শে গাছ লাগানোর কথা বলেছিলেন। সে সময়ে তাঁর কথামত দেশের মানুষ, বিশেষ করে গ্রামের মানুষ এগুলো চাষ করে অনেকেই স্বনির্ভর হয়েছিলেন। এর ধারবাহিকতা এখনো আছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এমপি আরো বলেন, গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশের সব থেকে বেশী ত্যাগ করে গেছেন তারই সহধর্মীনি গণতন্ত্রের মানষ কন্যা, মাদার অব ডেমোক্রেসি তিনবারের সাবেক সফল মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। তিনি যেমন একজন মহিয়ষী নারী ছিলেন, তেমনী অসাধারণ একজন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর চিন্তা চেতনায় ছিলো দেশ প্রেম। সেইথেকে সবাই তাঁক আপোসহীন নেত্রী হিসেবে সংবোধন করেন। এখন আর তিনি দলের নয়। তিনি সবার শ্রদ্ধাভাজন একজন নেত্রী। কারণ তিনি দেশের জন্যই প্রান দিয়ে গেলেন। শত বাধা, নির্যাতন ও অত্যাচার সহ্য করে তিনি এদেশেই ছিলেন। তিনি এখন জাতীয় ঐক্যের প্রতিক হয়ে গেছেন বলে জানান তিনি ।

তিনি বলেন, তাঁদেরই যোগ্য উত্তশ্বরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখন দেশের মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ শুরু করেছেন। তিনি দেশে নতুন নতুন কলকারখানা স্থাপন এবং বন্ধ কলকারখান পুণরায় চালুর উদ্যেগ নিয়েছেন। এতে একদিকে যেমন বেকারত্ব দূর হবে, অন্যদিকে কর্মসংস্থান ও চাকরিচ্যুত কর্মচারীরা পূনরায় ফিরে পাবে তাদের কর্ম। এজন্য তিনি সবাইকে বিএনপির পাশে থাকার আহ্বান জানান। সেইসাথে অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান তিনি।

জনগণের উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, সরকার এখন পুরোপুরি হার্ড লাইনে আছেন। কেউ অপরাধ, কোন প্রকার অনিয়ম ও আইনবিধি বহির্ভূত কাজ করলে কোনভাবেই ছাড় পাচ্ছেনা। তার উজ্জল দৃষ্টান্ত বর্তমান সরকারের একজন মন্ত্রী ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য। তাঁদেরকে সরকার প্রধান পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছেন।

শুধু তাইনয় মঙ্গলবার রাজশাহীতেও একই রকম ঘটনা ঘটেছে। রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দন করার সময় একটি বেশী ঘনিষ্ট হওয়ার চেষ্টা করায় তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে ওএসডি করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পরে তিনি দারুশা দূর্গামন্দির পরিদর্শন করেন। সেইসাথে সোনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময়ে তিনি সমস্যাগুলো চিন্থিত করে সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন, হুজুরীপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন, সদস্য সচিব মোতাহার হোসেন, পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তাইজুল ইসলাম এবং সাবেক সদস্য মাজদার রহমান ও পবা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান হাফিজসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin