নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হেনস্তাকারীদের রাষ্ট্র ও জনগণের শত্রু বলে আখ্যায়িত করেছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, ‘অপরাধীদের কোনো দল নেই। তাদের কোনো দলীয় পরিচয়ও নেই। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয় পরিদর্শন ও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহা. জাওয়াদুল হককে তাঁর চেয়ারে সসম্মানে বসিয়ে দেন এবং চা-চক্রে মিলিত হন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না। একজন শিক্ষাবিদকে এভাবে লাঞ্ছনা করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিষয়টি শোনার পর থেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য আমি নির্দেশনা দিয়েছি। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা মেনে নেওয়া হবে না। রাজশাহীতে কোন মব কালচার সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু অগ্রগতি হয়েছে। হাসপাতালের অনুমোদন পাওয়া গেছে, যা ধীরে ধীরে বাস্তবায়িত হবে।’ সঠিক সময়ে সংবাদ প্রকাশ করে বিষয়টি সবাইকে জানানোর জন্য তিনি সাংবাদিকদেরও ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনুর) আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেন, ‘বিষয়টি শোনার পর থেকেই তাঁরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছেন। এ ধরনের ঘটনা আর দেখতে চান না বলে জানান তিনি।’
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রামেবি উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহা. জাওয়াদুল হক, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির (পিপিএম), রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান জনি, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবর আলী জ্যাকি এবং মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব এমদাদুল হক লিমন।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।