নিজস্ব প্রতিবেদক: ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রাজশাহী শহর এপির আয়োজনে ইতিবাচক বিচ্যুতি অনুন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল টায় রাজশাহী মহানগরীর মুক্তিদাতা হাইস্কুল হল রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফ.এ.এম আঞ্জমান আর বেগম। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী এপিসিও এর সিনিয়র ম্যানেজার লোটাস চিসিম।
উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আহসানিয়া মিশন এর প্রজেক্ট ম্যানেজার আপেল মাহমুদ, নারী মৈত্রী সংস্থার প্রজেক্ট ম্যানেজার মনিরুজ্জামান মোড়ল, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর হেলথ নিউট্রিশন ওয়াশ প্রকল্পের টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট হান্না হোর শিমু ও রাজশাহী শহর এপি এর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার নীলু বেগম। এছাড়াও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ সংস্থার অন্যান্য কর্মকর্তা, ডাক্তার, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক, হেল্থ ওয়ার্কার, বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ও সাংবাদিকসহ শুশিল সমাজের জনগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। এরপর হান্না হোর শিমু অনুসন্ধান প্রতিবেদক উপস্থাপন করেন।
উপস্থাপনায় উল্লেখ করা হয় শহরের মধ্যে বসবাসরত স্ল¥াম, অতিদরীদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তদের মধ্যে ০-৫৯ মাসের শিশুদের পুষ্টি বিষয়ে একটি জরিপ পরিচালনা করা হয়। এই জরিপে তারা উল্লেখ করেন ৩১ভাগ শিশু কোননা কোনভাবে অপুষ্টির স্বীকার। এর মধ্যে ধনী পরিবারের শিশুরাও রয়েছে। এর মুল কারণ হচ্ছে উদাসিনতা ও মায়ের শাল দুধ পান না করানো। এছাড়াও পুষ্টিকর খাবারের চেয়ে বাজারের টোটকা খাবার যেমন চিফস ও কেকসহ অন্যান্য ফাস্টফুড খাওয়ানো বলে উল্লেখ করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরো উল্লেখ করা করা হয় এই সকল পবিারের শিশুরা যাতে পুষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে বড় হতে পারে সেজন্য মায়ের গর্ভাবস্থা থেকে সাধ্যের মধ্যে সম্পূর্নভাবে দেশীয় শাকসবজি ও স্থানীয় ফল খাওয়ানোর মাধ্যমে কিভাবে সন্তানদের মধ্যে থেকে অপুষ্টি দুর করা যায় সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। সেইসাথে কোন শাকসবজিতে ও কোন ফলে কি পরিমান পুষ্টি আছে বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। এই কার্যক্রম ২০২৬ সাল থেকে আগামী ২০৩৭সাল পর্র্যন্ত চলবে বলে উল্লেখ করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন এর কর্মকর্তাবৃন্দ। শেষে তারা শিশুর পুষ্টি বিষয়ে প্রচার করার জন্য সকল ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের আহ্বান জানান এবং উপস্থিত অংশগ্রহনকারীদের নিকট হতে মতামত নেন এবং বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন কর্মকর্তারা।