নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট এলাকায় কোভিড-১৯ এর ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মধ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র। বুধবার কাঁকনহাট পৌরসভা হলরুমে জাপান ইন্টারন্যামনাল কো অপারেশন ফাউন্ডেশন( জেআইসিএফ) সহযোগিতায় এবং লাইফ প্রকল্পের আওতায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির একশ জনের মধ্যে দুই হাজার দুইশত পঞ্চাশ টাকা করে মোট দুই লক্ষ পঁচিশ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাঁকনহাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কল্লোল হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রাম বিকাশ কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন। বিশেষ অতিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজকর্মী হুমায়ন কবীর, গোদাগাড়ী উপজেলা পারগানা বাবুলাল মুর্মু ও সাধারণ সম্পাদক দিনেশ হাঁসদা।
অনুষ্ঠানে জিবিকে এর প্রকল্প সমন্বয়কারী অনন্ত মুর্মুর সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী আবু জাফর ও কৃষি, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী রবিউল ইসলামসহ অত্র সংস্থার অন্যান্য কর্মীবৃন্দ এবং উপকারভোগিরা।
প্রধান অতিথি বলেন, গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র সর্বদা অসহায়দের পাশে আছে। ক্ষুদ্র নৃাত্তিক জাতিগোষ্ঠিসহ পিছিয়ে পরা জনগনের ভাগ্য উন্নয়নে এই প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাকাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ক্ষুদ্র নৃতাত্তিক জাতি গোষ্ঠির লোকজন কর্মকরে জীবন ধারন করেন। কিন্তু তাদের রয়েছে ব্যপক পরিমানে অপুষ্ঠি। তারা সঠিকভাবে শাক-সবজীসহ পুষ্টি ও ভিটামিন জাতীয় খাবার খেতে পায়না। এছাড়াও এখন ক্রমান্বয়ে কর্মক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে আসছে। এ অবস্থা তাদের জন্য আরো ভয়াবহ হয়ে উঠবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, সকল দিক বিবেচনা করে ভিটামিন ও পুষ্টির চাহিদা পুরনে এই জনগনের মধ্যে দেশী হাঁস-মুরগী, কবুতর ও গরু-ছাগল পালন করতে উদ্বুদ্ধ এবং সহায়তা প্রদান করছে। সেইসাথে বাড়ির আঙ্গিনায় নিরাপদ শাক-সবজী চাষে উদ্বুদ্ধকরনের কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। এই ধারা অব্যাহতসহ আগামীতে ফল চাষে সহায়তা করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়াও যুবক ও যুবতীদের ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ এবং চাকরীর ব্যবস্থাসহ উদ্যোক্ত্যা তৈরীর কাজ তার প্রতিষ্ঠান করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন। বক্তব্য শেষে উপস্থিত ব্যক্তিদের হাতে এই নগদ অর্থ তুলে দেন তিনিসহ অতিথিবৃন্দ।