নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, রাজশাহী মহানগরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পবা মোহনপুর আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেন, অতীতে যে রকম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা নিরাপদ ছিল,তেমনি করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে বাংলাদেশের পতাকা নিরাপদ রাখতে ১২ তারিখে বিএনপির পক্ষে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে।
শুক্রবার সকাল থেকে কাটাখালি পৌর এলাকায় গণসংযোগ করার সময় জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি এ সব কথা বলেন। আনুষ্ঠানিকভাবে গণসংযোগ শুরুর আগে তিনি কাপাসিয়া সরদারপাড়া গোরস্থানে গিয়ে কবর জিয়ারত করেন। এরপর নির্বাচনী সভায় তিনি বলেন, বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল। বিএনপি যখন ক্ষমতায় থাকে জনগণ নিরাপদে থাকে। দেশে সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে সমাজ ও দেশ থেকে, মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং নির্মূল করা হবে। সেইসাথে পবা মোহনপুরে উন্নয়নে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ৩১দফা দেওয়া আছে। সেগুলো বাস্তবায়ন করে দেশের উন্নয়ন করা হবে। তিনি আরো বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারীদের উন্নয়নে যেভাবে কাজ করে গেছেন, তার দেখানো পথেই নারীদের উন্নয়নে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, পরিবারে নারীদের গুরুত্ব ও ক্ষমতায়িত করতে পারিবারিক কার্ড নারীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সেই সাথে কৃষি উন্নয়নে কৃষি কার্ড প্রদান সহ খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে উল্লেখ করেন মিলন।
মিলন বলেন, রাজশাহী হচ্ছে কৃষি নির্ভর একটি জেলা, এই জেলা পবা, মোহনপুর ও গোদাগাড়ী সহ অন্যান্য উপজেলায় সকল ধরনের পণ্য উৎপাদিত হয়। এগুলোর সংরক্ষণে রাজশাহীতে কৃষি ইপিজেট গড়ে তোলা হবে। সেই সাথে কলকারখানা স্থাপন ও কর্মমুখী শিক্ষার উপরে গুরুত্ব প্রদান করা হবে। শুধু তাই নয় খেলাধুলা ক্লাস ফোর থেকে বাধ্যতামূলক করে এটাকে একটি সাবজেক্টে পরিণত করা হবে। যাতে করে আগামী প্রজন্মের কর্ণধার শারীরিক ও মানসিক ভাবে বিকশিত হতে পারে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, কাটাখালি পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক নুরুল হক, সদস্য সচিব নাজমুল হক, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানি সুমন ও জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব আকুল হোসেন মিঠুসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বিএনপি’র গণসংযোগ কে ঘিরে এলাকা উৎসবমুখর পরিবেশে সৃষ্টি হয়। প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার জন্য রাস্তায় মানুষের ঢল নামে। বাড়ির ছোট শিশু থেকে গৃহিণী এবং বৃদ্ধসহ সবাই মিলনকে হাত নেরে শুভেচ্ছা জানান। সেই সাথে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। তারা আরো বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ দল। এই দল যখন ক্ষমতায় থাকে দেশের এবং জনগণের উন্নয়ন হয়। সেই সাথে মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারে। এছাড়াও বিএনপি আলেম-ওলামাদের অনেক ভালোবাসে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন বাজি রেখে কাজ করে। যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দীর্ঘ ১৭ বছর তারা সকল নির্যাতন সহ্য করে মাঠে ছিলেন। এই দেশপ্রেমিক দলকে তারা ভোট দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন সবাই ।