নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগর বিএনপির অন্তর্গত মতিহার থানা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়। এ লক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় মতিহার থানা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে পায়রা উড়ান নেতৃবৃন্দ। এরপর সন্ধ্যায় এ বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মতিহান থানা বিএনপির সভাপতি একরামুল আলী।
৩০নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আহাদ আলীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মতিহার থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ওবাইদুল হক ও সোহেল, ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম, ৩০নং ওয়ার্ড দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক রুস্তম আলী, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সিদ্দিক আলী, ৩০নং ওয়ার্ড দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি আজাদ আলী, ৩০নং ওয়ার্ড দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রানা, রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য আহমেদ আলী, রাবি অফিসার্স সমিতির সদস্য শহিদুল ইসলাম, মহানগর যুবদলের সদস্য টুটুল, রনি, আরিফ, ছাত্রনেতা পিয়াস, রতন ও সামিউলসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে ২৫ মার্চ রাতের সেই ভয়াবহ অবস্থার কথা তুলে ধরেন। সেইসাথে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি কি কি করেছেন তা তুলে ধরেন। তিনি আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে ক্ষ্যান্ত হননি। তিনি সম্মুখ যুদ্ধও করেছেন। এরপর ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে স্বাধীন দেশকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে তিনি দেশের হাল ধরেন। সেইসাথে যুদ্ধবিধস্ত দেশকে স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে তিনি কৃষির উপরে বিশেষ নজর দেন। এছাড়াও বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহন করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।